লজ্জা ঢাকতে বিষপান! মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু ঘিরে তোলপাড়
মেহেরপুরের গাংনীতে শিক্ষার্থীর পরিবারের করা অভিযোগ ও সামাজিক চাপে এক মাদ্রাসা শিক্ষক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরের পর উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামে নানির বাড়িতে বিষপান করেন তেরাইল দারুচ্ছুন্নাত মোখতারিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক সাব্বির হোসেন (২৫)। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সাব্বির হোসেন গাংনী উপজেলার দেবীপুর গ্রামের স্কুলপাড়া এলাকার মৃত কাফিরুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেবীপুর গ্রামের ৭ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে বাড়িতে প্রাইভেট পড়াতেন সাব্বির। সম্প্রতি ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ তোলা হয়। অভিযোগের বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই সাব্বির নিজ বাড়ি ছেড়ে নানার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বিষয়টি নিয়ে এলাকায় সমালোচনা শুরু হলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে বহিষ্কার করে। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলায় অন্য কোথাও শিক্ষকতা করার সুযোগ না থাকার বিষয়টিও সামনে আসে। পরিবারের দাবি, এসব অপবাদ ও সামাজিক চাপ সহ্য করতে না পেরে
মেহেরপুরের গাংনীতে শিক্ষার্থীর পরিবারের করা অভিযোগ ও সামাজিক চাপে এক মাদ্রাসা শিক্ষক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরের পর উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামে নানির বাড়িতে বিষপান করেন তেরাইল দারুচ্ছুন্নাত মোখতারিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক সাব্বির হোসেন (২৫)। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সাব্বির হোসেন গাংনী উপজেলার দেবীপুর গ্রামের স্কুলপাড়া এলাকার মৃত কাফিরুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেবীপুর গ্রামের ৭ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে বাড়িতে প্রাইভেট পড়াতেন সাব্বির। সম্প্রতি ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ তোলা হয়। অভিযোগের বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই সাব্বির নিজ বাড়ি ছেড়ে নানার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বিষয়টি নিয়ে এলাকায় সমালোচনা শুরু হলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে বহিষ্কার করে। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলায় অন্য কোথাও শিক্ষকতা করার সুযোগ না থাকার বিষয়টিও সামনে আসে। পরিবারের দাবি, এসব অপবাদ ও সামাজিক চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর পরিবারের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিহতের চাচা মন্টু বলেন, ‘আমরা ১১ এপ্রিল ওই শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে কথা বলেছি। আমাদের বিশ্বাস, সাব্বিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে।’
তেরাইল দারুচ্ছুন্নাত মোখতারিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি মেহেদী হাসান সম্রাট বলেন, ‘প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে ছাত্রকে বলাৎকারের মৌখিক অভিযোগ ওঠায় তাকে বহিষ্কার করা হয়। এ ধরনের অভিযোগের পর তাকে রাখা সম্ভব ছিল না।’
গাংনী থানার ওসি উত্তম কুমার দাস জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।