লবনদহ পরিদর্শনে বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল: পেলেন দূষণের চিত্র
নদীমাতৃক দেশের বাস্তবতায় নদী ধ্বংসকে সরাসরি ‘অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে এর বিচার দাবি করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম। তিনি বলেন, “আমরা নদীকে মেরে ফেলেছি। এই নদী হত্যার জন্য আমাদের বিচার হওয়া উচিত।” শুক্রবার(২৩ জানুয়ারি) বিকেলে গাজীপুর সদর উপজেলার জ্ঞানের ভূবন পাবলিক স্কুলে আয়োজিত ‘নদী আড্ডা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল গাজীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে লবনদহ ও তুরাগ নদীর বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করা হয়। ড. আব্দুল আলিম বলেন, একসময় নদী ছাড়া মানুষের বিকল্প ছিল না। অথচ আজ নদী কেবল নামে আছে, বাস্তবে নেই। শিল্পকারখানার নামে নির্বিচারে পরিবেশ দূষণের কারণে গাজীপুর আজ বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে। প্রয়োজনে দূষণের উৎস চিহ্নিত করে নদীর মাঝখানে গিয়েই সেই পয়েন্ট বন্ধ করে দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তুরাগ নদের মির্জাপুর ব্রিজ এলাকা, পাইনশাইল ব্রিজের আশপাশসহ বিভিন্ন অংশ ঘুরে দূষণের চিত্র সরেজমিনে দেখেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরিদর্শন শেষে অনুষ্ঠিত নদী আড্ডায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল গাজীপুর জেলা
নদীমাতৃক দেশের বাস্তবতায় নদী ধ্বংসকে সরাসরি ‘অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে এর বিচার দাবি করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম। তিনি বলেন, “আমরা নদীকে মেরে ফেলেছি। এই নদী হত্যার জন্য আমাদের বিচার হওয়া উচিত।”
শুক্রবার(২৩ জানুয়ারি) বিকেলে গাজীপুর সদর উপজেলার জ্ঞানের ভূবন পাবলিক স্কুলে আয়োজিত ‘নদী আড্ডা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল গাজীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে লবনদহ ও তুরাগ নদীর বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করা হয়।
ড. আব্দুল আলিম বলেন, একসময় নদী ছাড়া মানুষের বিকল্প ছিল না। অথচ আজ নদী কেবল নামে আছে, বাস্তবে নেই। শিল্পকারখানার নামে নির্বিচারে পরিবেশ দূষণের কারণে গাজীপুর আজ বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে। প্রয়োজনে দূষণের উৎস চিহ্নিত করে নদীর মাঝখানে গিয়েই সেই পয়েন্ট বন্ধ করে দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তুরাগ নদের মির্জাপুর ব্রিজ এলাকা, পাইনশাইল ব্রিজের আশপাশসহ বিভিন্ন অংশ ঘুরে দূষণের চিত্র সরেজমিনে দেখেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরিদর্শন শেষে অনুষ্ঠিত নদী আড্ডায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক এ. এন. এম. মুনীর হোসেন মোল্লা।
সভায় ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অসীম বিভাকর বলেন, নদী দূষণকারীদের প্রতি কোনোভাবেই উদার হওয়া যাবে না। তিনি বলেন, “প্রকৃতিকে যদি ভালোবাসি, তবে প্রকৃতিও আমাদের ভালোবাসবে। প্রকৃতিকে নির্যাতন করে ভালোবাসা আশা করা যায় না।” তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ ও নদী রক্ষার বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ড. সেলিম রেজা বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে মানুষ নদী দেখতে ভ্রমণে যায়। অথচ নদীপ্রধান বাংলাদেশে নদীর জন্য কেউ আসতে চায় না—এটাই আমাদের ব্যর্থতা। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সহকারী পুলিশ সুপার (অব.) মো. মিজানুর রহমান, কবি ও সাংবাদিক শাহান শাহাবুদ্দিন এবং বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল শ্রীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি সাঈদ চৌধুরী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী নূর আলম।
এ সময় সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান রাজীব, সহ-সভাপতি মো. মিলন হোসেন ও মো. কামাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান সাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাহিদ হাসান ভূঁইয়াসহ কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুর রাজ্জাক এবং অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?