‘লাইসেন্স ছাড়া তেল নয়’
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং অবৈধ মজুত ও অনিয়ম রোধে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে জেলা শহরের রাজবাড়ী ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়ে এ চিত্র তুলে ধরেন রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নিরুপমা রায়। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইউএনও জানান, উপজেলার ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে এবং দৈনন্দিন চাহিদা অনুযায়ী জোগান নিশ্চিত করা হচ্ছে। তবে পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে মোটরসাইকেল চালকদের চাপ বাড়ায় সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রকৃত প্রয়োজনীয় গ্রাহকরা জ্বালানি থেকে বঞ্চিত না হন। একই সঙ্গে কোনো অসাধু মজুদদার যাতে পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে, সে বিষয়েও প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। ইউএনও আরও জানান, রাজবাড়ী সদরে মোট পাঁচটি ফিলিং স্টেশন রয়েছে এবং কোথাও জ্বালানি স
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং অবৈধ মজুত ও অনিয়ম রোধে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে জেলা শহরের রাজবাড়ী ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়ে এ চিত্র তুলে ধরেন রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নিরুপমা রায়।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইউএনও জানান, উপজেলার ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে এবং দৈনন্দিন চাহিদা অনুযায়ী জোগান নিশ্চিত করা হচ্ছে। তবে পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে মোটরসাইকেল চালকদের চাপ বাড়ায় সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রকৃত প্রয়োজনীয় গ্রাহকরা জ্বালানি থেকে বঞ্চিত না হন। একই সঙ্গে কোনো অসাধু মজুদদার যাতে পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে, সে বিষয়েও প্রশাসন সতর্ক রয়েছে।
ইউএনও আরও জানান, রাজবাড়ী সদরে মোট পাঁচটি ফিলিং স্টেশন রয়েছে এবং কোথাও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই। একটি স্টেশনে সমস্যা হলে অন্যটিতে সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব। সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যারা প্রতিদিন দুই বেলা সরবরাহ ও মজুদের তথ্য প্রশাসনকে জানাচ্ছেন।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, অধিকাংশ মোটরসাইকেল চালক নিয়ম মেনে লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করছেন। তবে যাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই, তাদের বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুইজন মোটরসাইকেল চালককে জরিমানা করা হয়। লাইসেন্স না থাকায় একজনকে ৫০০ টাকা এবং অপরজনকে ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলেও জানান ইউএনও।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইউএনও, নিরুপমা রায় বলেন, এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়মিত তদারকি করছেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।
অভিযানের আগে ইউএনও নিরুপমা রায় নিজে ফিলিং স্টেশনে উপস্থিত থেকে মোটরসাইকেল চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন ও হেলমেট ব্যবহার যাচাই করেন এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে দিকনির্দেশনা দেন। প্রশাসনের এমন তৎপরতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
What's Your Reaction?