লাইসেন্স ছাড়াই ৮ বছর ধরে চলছে প্রাইভেট হাসপাতাল, অবশেষে সিলগালা

ফেনীতে লাইসেন্স নবায়ন না থাকাসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ‘ফেনী প্রাইভেট হাসপাতাল’ নামে একটি বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র সিলগালা করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দেবীপুর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক বিশেষ অভিযানে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, দেবীপুর এলাকায় অবস্থিত ওই হাসপাতালটির ২০১৮ সাল থেকে লাইসেন্স নবায়ন নেই। এছাড়া সেখানে পরিদর্শনে গিয়ে নানা ধরনের অসংগতি পাওয়া গেছে। সিভিল সার্জনের নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বার্থে হাসপাতালটি সিলগালা করা হয়েছে। দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দেবীপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারাজ হাবিব খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম সোহরাব আল হোসাইন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. এ কে এম ফাহাদ। ফেনী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারাজ হাবিব খান জানান, কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। লাইসেন্স না থাকা ও অব্যবস্থাপনার কারণে হাসপাতালটির

লাইসেন্স ছাড়াই ৮ বছর ধরে চলছে প্রাইভেট হাসপাতাল, অবশেষে সিলগালা

ফেনীতে লাইসেন্স নবায়ন না থাকাসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ‘ফেনী প্রাইভেট হাসপাতাল’ নামে একটি বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র সিলগালা করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দেবীপুর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক বিশেষ অভিযানে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, দেবীপুর এলাকায় অবস্থিত ওই হাসপাতালটির ২০১৮ সাল থেকে লাইসেন্স নবায়ন নেই। এছাড়া সেখানে পরিদর্শনে গিয়ে নানা ধরনের অসংগতি পাওয়া গেছে। সিভিল সার্জনের নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বার্থে হাসপাতালটি সিলগালা করা হয়েছে।

দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দেবীপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারাজ হাবিব খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম সোহরাব আল হোসাইন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. এ কে এম ফাহাদ।

ফেনী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারাজ হাবিব খান জানান, কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। লাইসেন্স না থাকা ও অব্যবস্থাপনার কারণে হাসপাতালটির সকল কার্যক্রম বন্ধ করে সিলগালা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আবদুল্লাহ আল-মামুন/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow