লাখ টাকার ঘুষে বেবিচকের সাবেক কর্মকর্তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড 

লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় গ্রেপ্তার হন বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালটেন্ট এইচ এম রাশেদ সরকার। এই ঘটনার ছয় বছর পর দুদকের করা মামলায় তার পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন। পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাস সাজা দেয়া হয়েছে। দুদক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। এদিন জামিনে থাকা আসামি রাশেদ সরকার আদালতে হাজির হন। তার উপস্থিতিতে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ২০২৩ সালের ৬ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, রাকিব হাসান বেবিচক এর সিপিএল লাইসেন্স প্রদানের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ধাপ ‘এয়ার ল’ পরীক্ষায় ২০১৮ সালে উত্তীর্ণ হন। সিপিএল লাইসেন্স পরীক্ষার পরবর্তী ধাপ ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষার ফি বাবদ ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর চার হাজার টাকা জমা দিয়ে আবেদন কর

লাখ টাকার ঘুষে বেবিচকের সাবেক কর্মকর্তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড 

লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় গ্রেপ্তার হন বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালটেন্ট এইচ এম রাশেদ সরকার। এই ঘটনার ছয় বছর পর দুদকের করা মামলায় তার পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন। পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাস সাজা দেয়া হয়েছে। দুদক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

এদিন জামিনে থাকা আসামি রাশেদ সরকার আদালতে হাজির হন। তার উপস্থিতিতে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ২০২৩ সালের ৬ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, রাকিব হাসান বেবিচক এর সিপিএল লাইসেন্স প্রদানের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ধাপ ‘এয়ার ল’ পরীক্ষায় ২০১৮ সালে উত্তীর্ণ হন। সিপিএল লাইসেন্স পরীক্ষার পরবর্তী ধাপ ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষার ফি বাবদ ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর চার হাজার টাকা জমা দিয়ে আবেদন করেন। রাশেদ সরকার বেবিচক, কুর্মিটোলা ঢাকার জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালটেন্ট হিসেবে অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে ২৭ নভেম্বর ও ৪ ডিসেম্বর ওই আবেদন বাতিল করেন। রাকিব হাসানকে ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার জন্য মোবাইল ফোনে রাকিবের কাছে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। অনৈতিক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে দাবি করা এক লাখ টাকা ৬ ডিসেম্বর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরে বিএফসিতে গিয়ে দিয়ে আসেন। দুদকের ফাঁদ টিমের সদস্যরা রাশেদকে চ্যালেঞ্জ করলে রাকিব হাসানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন রাশেদ। পরে তাকে সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করে দুদক।

এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে দুদকের উপ-পরিচালক জাহিদ কালাম ২০২২ সালের ৬ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow