লাশ হয়ে ফিরলেন মেজরসহ ৫ পাকিস্তানি সেনা

বেলুচিস্তানে বিশেষ অভিযানের সময় এক মেজরসহ পাঁচ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর। বুধবার (১৩ মে) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই অভিযানে সাতজন সন্ত্রাসীও নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। আইএসপিআর জানায়, বুধবার সকালে বেলুচিস্তানের বারখান জেলার নোশাম এলাকায় ভারত-সমর্থিত ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও ফ্রন্টিয়ার কোর বেলুচিস্তান যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের একটি আস্তানা শনাক্ত করে সেখানে অভিযান শুরু করলে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে সাত সন্ত্রাসী নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। তবে সংঘর্ষে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক মেজরসহ পাঁচ সদস্য নিহত হন। নিহতরা হলেন— পাকপত্তনের মেজর তৌসিফ আহমেদ ভাট্টি (৩১), সুক্কুরের নায়েক ফিদা হুসেন (৩৬), স্কার্দুর সিপাহী জাকির হুসেন (৩২), খানেওয়ালের সিপাহী সুহাইল আহমেদ (২১) এবং রহিম ইয়ার খানের সিপাহী মুহাম্মদ আয়াজ (২৪)। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এলাকায় আরও কোনো

লাশ হয়ে ফিরলেন মেজরসহ ৫ পাকিস্তানি সেনা

বেলুচিস্তানে বিশেষ অভিযানের সময় এক মেজরসহ পাঁচ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর। বুধবার (১৩ মে) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই অভিযানে সাতজন সন্ত্রাসীও নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

আইএসপিআর জানায়, বুধবার সকালে বেলুচিস্তানের বারখান জেলার নোশাম এলাকায় ভারত-সমর্থিত ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও ফ্রন্টিয়ার কোর বেলুচিস্তান যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের একটি আস্তানা শনাক্ত করে সেখানে অভিযান শুরু করলে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে সাত সন্ত্রাসী নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

তবে সংঘর্ষে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক মেজরসহ পাঁচ সদস্য নিহত হন। নিহতরা হলেন— পাকপত্তনের মেজর তৌসিফ আহমেদ ভাট্টি (৩১), সুক্কুরের নায়েক ফিদা হুসেন (৩৬), স্কার্দুর সিপাহী জাকির হুসেন (৩২), খানেওয়ালের সিপাহী সুহাইল আহমেদ (২১) এবং রহিম ইয়ার খানের সিপাহী মুহাম্মদ আয়াজ (২৪)।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এলাকায় আরও কোনো জঙ্গি লুকিয়ে আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জাতীয় কর্মপরিকল্পনার আওতায় ফেডারেল অ্যাপেক্স কমিটির অনুমোদিত ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ নীতির অধীনে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশ থেকে বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলবে বলে জানানো হয়।

২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) ও বেলুচিস্তান অঞ্চলে সীমান্তঘেঁষা সন্ত্রাসী হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একাধিকবার কাবুলকে তাদের ভূখণ্ড সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর ব্যবহারের সুযোগ না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামাবাদ।

সূত্রঃ জিও নিউজ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow