লুঙ্গির তলের লোককেও মনোনয়ন দিতে হয়, আফসোস লাগে: রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থীকে ইঙ্গিত করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার সময় মেয়র জাহাঙ্গীরের লুঙ্গির তলে থাকতো, শেখ হাসিনার গুণ গাইতো। এখনো বলে শেখ হাসিনা উন্নয়ন করে গেছে, তারেক রহমান নাকি সেই ধারাবাহিকতায় করবে। এরকম মানুষকেও তো নমিনেশন দিতে হয়! আফসোস লাগে—এত বড় দল প্রার্থী খুঁজে পেল না।” রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বড্ডা পাড়ায় আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। সমাবেশে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, “দল গোলামি করতে পারে, কিন্তু সরাইল-আশুগঞ্জের মানুষ তা করবে না।” তিনি অভিযোগ করেন, এখনো এক প্রার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের দিকে তাকিয়ে থাকে এবং সেখানকার এক এমপি প্রার্থীকে ‘আব্বা আব্বা’ বলে ডাকে। এর আগে বিকেলে উপজেলার উচালিয়াপাড়া এলাকায় এক পথসভায় বক্তব্য দিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে এলাকায় ‘খাওয়া পার্টি’ সংস্কৃতি থাকবে না। তিনি বলেন, “বরাদ্দের ৫০ শতাংশ এমপির আর ২৫ শতাংশ খাওয়া পার্টির পকেটে যাওয়ার যে সংস্কৃতি দেশে চালু আছে, আমার ক্ষেত্র

লুঙ্গির তলের লোককেও মনোনয়ন দিতে হয়, আফসোস লাগে: রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থীকে ইঙ্গিত করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার সময় মেয়র জাহাঙ্গীরের লুঙ্গির তলে থাকতো, শেখ হাসিনার গুণ গাইতো। এখনো বলে শেখ হাসিনা উন্নয়ন করে গেছে, তারেক রহমান নাকি সেই ধারাবাহিকতায় করবে। এরকম মানুষকেও তো নমিনেশন দিতে হয়! আফসোস লাগে—এত বড় দল প্রার্থী খুঁজে পেল না।”

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বড্ডা পাড়ায় আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

সমাবেশে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, “দল গোলামি করতে পারে, কিন্তু সরাইল-আশুগঞ্জের মানুষ তা করবে না।” তিনি অভিযোগ করেন, এখনো এক প্রার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের দিকে তাকিয়ে থাকে এবং সেখানকার এক এমপি প্রার্থীকে ‘আব্বা আব্বা’ বলে ডাকে।

এর আগে বিকেলে উপজেলার উচালিয়াপাড়া এলাকায় এক পথসভায় বক্তব্য দিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে এলাকায় ‘খাওয়া পার্টি’ সংস্কৃতি থাকবে না। তিনি বলেন, “বরাদ্দের ৫০ শতাংশ এমপির আর ২৫ শতাংশ খাওয়া পার্টির পকেটে যাওয়ার যে সংস্কৃতি দেশে চালু আছে, আমার ক্ষেত্রে তা হবে না।”

রাজনৈতিক অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যে কোনো দলের রাজনীতি করা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার। কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে কাউকে জুলুম বা নির্যাতনের শিকার হতে দেওয়া হবে না। কারও নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হবে না। কাউকে বিনা অপরাধে কারাগারে নিলে আমি নিজে তার জামিনের জন্য কাজ করবো।”

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল-হাবিবকে ঘোষণা করা হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় রুমিন ফারহানাকে আগেই বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow