লুটপাটের সময় ২ ডাকাতকে ধরে পুলিশে দিল জনতা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতির সময় ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আগুন ধরিয়ে দুই ডাকাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার মৃধাকান্দী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটকরা হলেন—উপজেলার কাজিরগাঁও গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে রবিন এবং চেঙ্গাকান্দী এলাকার হেলাল মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক ওরফে চাপাতি ফারুক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাকাত চক্রটি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ব্যবহার করে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পথচারীদের কাছ থেকে নগদ অর্থ ও মূল্যবান মালপত্র লুট করছিল। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাদের ধাওয়া করে দুজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা ডাকাতদের ব্যবহৃত সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক দুই ডাকাতকে হেফাজতে নেয়। সোনারগাঁ থানার ওসি মুহিবুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশের অভিযানে দুই ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। ডাকাত চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতির সময় ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আগুন ধরিয়ে দুই ডাকাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার মৃধাকান্দী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটকরা হলেন—উপজেলার কাজিরগাঁও গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে রবিন এবং চেঙ্গাকান্দী এলাকার হেলাল মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক ওরফে চাপাতি ফারুক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাকাত চক্রটি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ব্যবহার করে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পথচারীদের কাছ থেকে নগদ অর্থ ও মূল্যবান মালপত্র লুট করছিল। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাদের ধাওয়া করে দুজনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
এ সময় উত্তেজিত জনতা ডাকাতদের ব্যবহৃত সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক দুই ডাকাতকে হেফাজতে নেয়।
সোনারগাঁ থানার ওসি মুহিবুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশের অভিযানে দুই ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। ডাকাত চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?