লড়াই করেও অভিষেকটা রাঙাতে পারল না উজবেকিস্তান
বিশ্বকাপে প্রথম অংশগ্রহণেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফুটবলের আভাস দিল উজবেকিস্তান। ‘কে’ গ্রুপে শক্তিশালী কলম্বিয়ার বিপক্ষে এক সময় সমতায় ফিরলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও ফিনিশিংয়ের ব্যবধানে ৩-১ গোলের পরাজয় বরণ করতে হয়েছে এশিয়ার নবাগত দলটিকে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আজতেকা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ম্যাচটি নিজেদের জন্য স্মরণীয় করে রাখতে পারল না উজবেকিস্তান।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। র্যাঙ্কিং ও অভিজ্ঞতায় এগিয়ে থাকা কলম্বিয়া প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে শুরু করে। ৪০তম মিনিটে লুইস দিয়াজের নিখুঁত ক্রস থেকে ডানিয়েল মুনোজ দারুণ ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও আক্রমণ অব্যাহত রাখে কলম্বিয়া, তবে আর কোনো গোল হয়নি।
অভিষেক বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নামা উজবেকিস্তান শুরু থেকেই সতর্ক কৌশলে খেলেছে। গোলরক্ষক ইউসুপভ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ম্যাচে রাখেন। রক্ষণভাগে খুসানভ, আশুরমাতভ ও মজগোভয়ম প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। মাঝমাঠে শুকুরভ ও উরুনভ খেলার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলেও অভিজ্ঞতার ঘাটতি ভোগায় দলটিকে।
বিরতির পর আরও
বিশ্বকাপে প্রথম অংশগ্রহণেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফুটবলের আভাস দিল উজবেকিস্তান। ‘কে’ গ্রুপে শক্তিশালী কলম্বিয়ার বিপক্ষে এক সময় সমতায় ফিরলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও ফিনিশিংয়ের ব্যবধানে ৩-১ গোলের পরাজয় বরণ করতে হয়েছে এশিয়ার নবাগত দলটিকে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আজতেকা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ম্যাচটি নিজেদের জন্য স্মরণীয় করে রাখতে পারল না উজবেকিস্তান।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। র্যাঙ্কিং ও অভিজ্ঞতায় এগিয়ে থাকা কলম্বিয়া প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে শুরু করে। ৪০তম মিনিটে লুইস দিয়াজের নিখুঁত ক্রস থেকে ডানিয়েল মুনোজ দারুণ ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও আক্রমণ অব্যাহত রাখে কলম্বিয়া, তবে আর কোনো গোল হয়নি।
অভিষেক বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নামা উজবেকিস্তান শুরু থেকেই সতর্ক কৌশলে খেলেছে। গোলরক্ষক ইউসুপভ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ম্যাচে রাখেন। রক্ষণভাগে খুসানভ, আশুরমাতভ ও মজগোভয়ম প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। মাঝমাঠে শুকুরভ ও উরুনভ খেলার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলেও অভিজ্ঞতার ঘাটতি ভোগায় দলটিকে।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে উজবেকিস্তান এবং ৬০তম মিনিটে তার সুফলও পায়। আব্বোসবেগ ফাইজুল্লায়েভের গোলে সমতায় ফেরে এশিয়ার দলটি। তবে সেই সমতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মাত্র পাঁচ মিনিট পর, ৬৫তম মিনিটে লুইস দিয়াজ নিজের দ্বিতীয় গোল করে আবারও কলম্বিয়াকে এগিয়ে দেন।
সমতায় ফেরার পর কিছুটা গতি পেলেও দ্রুত গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় উজবেকিস্তান। ম্যাচের যোগ করা সময়ে আরও একটি গোল করে ব্যবধান বাড়ায় কলম্বিয়া এবং ৩-১ গোলের জয় নিশ্চিত করে।
শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করেছিল উজবেকিস্তান। তবে অভিজ্ঞতা ও ফিনিশিংয়ের পার্থক্য শেষ পর্যন্ত ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলে। তবুও প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচে তাদের পারফরম্যান্সে লড়াকু মানসিকতার স্পষ্ট ছাপ দেখা গেছে।