শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আওয়ামী লীগ ছাড়লেন ইউপি চেয়ারম্যান ও ৯ সদস্য
মাদারীপুর সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান অমিত হোসেন কবির আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তার সঙ্গে ওই ইউনিয়ন পরিষদের ৯ জন সদস্য এবং শতাধিক নেতাকর্মী-সমর্থকও দল থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দিয়েছেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে কুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিজ বাসভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের সব ধরনের পদ থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতির এই ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে চেয়ারম্যানের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে মৌখিকভাবে অব্যাহতি নেন ইউপির সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) আমির হোসেন, মো. পায়েল বেপারী, মো. রুহুল হাওলাদার, মো. মিল্টন মিয়া, মো. রফিকুল হাওলাদার, মো. রিন্টু, মো. জসিম, মো. হুমায়ুন কাজী এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য মোসা. হাওয়া বেগম। এ সময় তাদের সঙ্গে উপস্থিত থাকা শতাধিক কর্মী-সমর্থকও এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে দল ছাড়ার ঘোষণা দেন।
আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দিয়ে চেয়ারম্যান অমিত হোসেন কবির বলেন, ‘আমি জনগণের সেবা দিয়ে সবসময় তাদের পাশে থাকার জন্য আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতাম। বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্য
মাদারীপুর সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান অমিত হোসেন কবির আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তার সঙ্গে ওই ইউনিয়ন পরিষদের ৯ জন সদস্য এবং শতাধিক নেতাকর্মী-সমর্থকও দল থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দিয়েছেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে কুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিজ বাসভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের সব ধরনের পদ থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতির এই ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে চেয়ারম্যানের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে মৌখিকভাবে অব্যাহতি নেন ইউপির সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) আমির হোসেন, মো. পায়েল বেপারী, মো. রুহুল হাওলাদার, মো. মিল্টন মিয়া, মো. রফিকুল হাওলাদার, মো. রিন্টু, মো. জসিম, মো. হুমায়ুন কাজী এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য মোসা. হাওয়া বেগম। এ সময় তাদের সঙ্গে উপস্থিত থাকা শতাধিক কর্মী-সমর্থকও এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে দল ছাড়ার ঘোষণা দেন।
আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দিয়ে চেয়ারম্যান অমিত হোসেন কবির বলেন, ‘আমি জনগণের সেবা দিয়ে সবসময় তাদের পাশে থাকার জন্য আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতাম। বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে দল থেকে পদত্যাগ করলাম। আজ থেকে আওয়ামী লীগের কোনো পদের সঙ্গে আমার আর কোনো সম্পর্ক নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ঠাঁই দেওয়ার মতো এখন কেউ নেই। তাছাড়া দলের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ দলে থেকে জনগণের সেবা করা সম্ভব নয়। আমি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করি এবং তাদের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করি। এলাকার মানুষ আমাকে ভালোবেসে দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। তাই আজ থেকে আওয়ামী লীগের পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। আমার সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের ৯ জন মেম্বারও আজ অব্যাহতি নিয়েছেন।’