শসা তেঁতো কি না হাতে নিয়েই বুঝবেন যেভাবে

গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে এক বাটি ঠান্ডা শসার সালাদ কিংবা একটু রায়তা যেন প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। শসা শুধু আমাদের শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে তা নয়, এর পুষ্টিগুণ ও সতেজতাও অনস্বীকার্য। কিন্তু বাজার থেকে এত সাধ করে কিনে আনা শসাটি যখন কাটার পর তেঁতো বের হয়, তখন সব আয়োজনই এক নিমেষে মাটি হয়ে যায়। শসা তেঁতো হওয়াটা কেবল খাবারের স্বাদই নষ্ট করে না, বরং এর ফলে অনেক সময় অনেকটা খাবার অপচয় করতে হয়। অনেকেরই ধারণা, শসা না কেটে বা জিভে না দিয়ে সেটি তেঁতো কি না তা বোঝার কোনো উপায় নেই। আসলে এই ধারণাটি পুরোপুরি সঠিক নয়। আপনি যদি শসার বাহ্যিক কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন এবং শারীরিক গঠন লক্ষ্য করেন, তবে হাতে নিয়ে দেখেই ভালো মানের শসা চিনে নিতে পারবেন। এতে আপনার খাবারের স্বাদ যেমন অটুট থাকবে, তেমনি অহেতুক অপচয়ও কমবে। চলুন তাহলে জেনে নিই, শসা হাতে নিয়ে চিনে নেওয়ার জাদুকরী কৌশল- ১. রঙ ও গঠন পরখ করুন: একটি ভালো মানের শসার রঙ হবে গাঢ় সবুজ এবং সবদিকে সমান। শসার গায়ে যদি হলদেটে দাগ, ফ্যাকাসে রঙ কিংবা অনুজ্জ্বল ভাব থাকে, তবে বুঝবেন সেটি অতিরিক্ত পেকে গেছে অথবা নষ্ট হতে শুরু করেছে। এছাড়া শসার খোসা টানটান হওয়া জরুরি; কুঁচকানো চামড়া

শসা তেঁতো কি না হাতে নিয়েই বুঝবেন যেভাবে

গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে এক বাটি ঠান্ডা শসার সালাদ কিংবা একটু রায়তা যেন প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। শসা শুধু আমাদের শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে তা নয়, এর পুষ্টিগুণ ও সতেজতাও অনস্বীকার্য। কিন্তু বাজার থেকে এত সাধ করে কিনে আনা শসাটি যখন কাটার পর তেঁতো বের হয়, তখন সব আয়োজনই এক নিমেষে মাটি হয়ে যায়।

শসা তেঁতো হওয়াটা কেবল খাবারের স্বাদই নষ্ট করে না, বরং এর ফলে অনেক সময় অনেকটা খাবার অপচয় করতে হয়। অনেকেরই ধারণা, শসা না কেটে বা জিভে না দিয়ে সেটি তেঁতো কি না তা বোঝার কোনো উপায় নেই। আসলে এই ধারণাটি পুরোপুরি সঠিক নয়। আপনি যদি শসার বাহ্যিক কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন এবং শারীরিক গঠন লক্ষ্য করেন, তবে হাতে নিয়ে দেখেই ভালো মানের শসা চিনে নিতে পারবেন। এতে আপনার খাবারের স্বাদ যেমন অটুট থাকবে, তেমনি অহেতুক অপচয়ও কমবে।

চলুন তাহলে জেনে নিই, শসা হাতে নিয়ে চিনে নেওয়ার জাদুকরী কৌশল-

১. রঙ ও গঠন পরখ করুন: একটি ভালো মানের শসার রঙ হবে গাঢ় সবুজ এবং সবদিকে সমান। শসার গায়ে যদি হলদেটে দাগ, ফ্যাকাসে রঙ কিংবা অনুজ্জ্বল ভাব থাকে, তবে বুঝবেন সেটি অতিরিক্ত পেকে গেছে অথবা নষ্ট হতে শুরু করেছে। এছাড়া শসার খোসা টানটান হওয়া জরুরি; কুঁচকানো চামড়া বা নরম দাগ থাকা শসা তেঁতো হওয়ার বড় লক্ষণ।

২. আকার ও আয়তনের দিকে নজর দিন: শসার আকার তার স্বাদের একটি বড় নির্দেশক। খুব বেশি মোটা, বড় বা অসম আকৃতির শসাগুলোতে বীজ বেশি ও বড় থাকে, যা তেঁতো হওয়ার অন্যতম কারণ। কেনার সময় সবসময় সোজা এবং মাঝারি আকৃতির শসা বেছে নিন। চিকন বা স্লেন্ডার শসাগুলো সাধারণত বেশি সতেজ ও কম তেঁতো হয়।

৩. স্পর্শ করে দৃঢ়তা যাচাই: আঙুল দিয়ে শসাটি আলতো করে চেপে দেখুন। এটি সতেজ ও দৃঢ় হওয়া উচিত, কিন্তু আবার পাথরের মতো শক্ত নয়। যদি শসাটি খুব বেশি নরম বা স্পঞ্জি লাগে, তবে বুঝবেন সেটি বাসি বা নষ্ট। অন্যদিকে, অতিরিক্ত শক্ত ও কড়া শসা অনেক সময় পুরনো ও তেঁতো হয়ে থাকে। তাই দৃঢ় অথচ সতেজ শসাটিই বেছে নিন।

৪. ঘ্রাণ নিতে ভুলবেন না: টাটকা শসার একটি খুব হালকা, স্নিগ্ধ ও সতেজ ঘ্রাণ থাকে। যদি শসা থেকে টক বা অন্য কোনো অপ্রীতিকর গন্ধ আসে, তবে সেটি কেনা থেকে বিরত থাকুন। এটি শসা নষ্ট হওয়ার প্রাথমিক ইঙ্গিত হতে পারে।

কেনার পরের একটি ছোট্ট পরীক্ষা

শসা কিনে ফেলার পর কাটার আগে এক প্রান্ত থেকে ছোট একটি অংশ কেটে নিয়ে ওই কাটা জায়গায় কিছুক্ষণ ঘষুন। যদি সেখান থেকে সাদা ফেনার মতো পদার্থ বের হয়, তবে বুঝবেন এতে তেঁতো হওয়ার উপাদান রয়েছে। তবে এর মানে এই নয় যে পুরো শসাটিই খাওয়ার অযোগ্য।

তেঁতো শসা ঠিক করার উপায়

যদি শসা তেঁতো হয়েই যায়, তবে এর খোসা কিছুটা মোটা করে ছাড়িয়ে নিন এবং দুই প্রান্ত বেশি করে কেটে ফেলুন। এছাড়া কাটা অংশে লবণ মাখিয়ে ঘষলেও তেঁতো ভাব কিছুটা দূর হয়। তবে মনে রাখবেন, শসা যদি অতিরিক্ত তেঁতো হয় তবে তা না খাওয়াই শ্রেয়, কারণ এটি পেটের সমস্যার কারণ হতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow