শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্যানিটেশন প্রকল্প নিয়ে কর্মশালা
শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে বাস্তবায়ন করা ‘ওয়াশ ফর আরবান পুওর (ওয়াশফরআপ) দ্বিতীয় পর্যায়’ প্রকল্পের বিষয়ে জানাতে জাতীয় কর্মশালা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে সুইডেন দূতাবাসের সহায়তায় এ কর্মশালার আয়োজন করে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত বাস্তবায়িত প্রকল্পের অর্জন, শিক্ষণীয় বিষয়, প্রতিবন্ধকতা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অভিমত তুলে ধরাই ছিল এ আয়োজনের উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে প্রকল্পের শুরু ও শেষের তুলনামূলক ফলাফল প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি শহুরে দরিদ্রদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল ওয়াশ (পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন) সেবা টেকসই ও সম্প্রসারণের অগ্রাধিকারমূলক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের পলিসি সাপোর্ট অধিশাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মজুমদার। তিনি বলেন, ‘আজকের এই আয়োজনে অনেক বিষয় উঠে এসেছে। সেটা আমাদের নীতিতে উঠে আসবে এবং পরবর্তীতে নীতি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ এসময় ঢাকার সুইডেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পরিবেশ ও জলবা
শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে বাস্তবায়ন করা ‘ওয়াশ ফর আরবান পুওর (ওয়াশফরআপ) দ্বিতীয় পর্যায়’ প্রকল্পের বিষয়ে জানাতে জাতীয় কর্মশালা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে সুইডেন দূতাবাসের সহায়তায় এ কর্মশালার আয়োজন করে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত বাস্তবায়িত প্রকল্পের অর্জন, শিক্ষণীয় বিষয়, প্রতিবন্ধকতা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অভিমত তুলে ধরাই ছিল এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে প্রকল্পের শুরু ও শেষের তুলনামূলক ফলাফল প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি শহুরে দরিদ্রদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল ওয়াশ (পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন) সেবা টেকসই ও সম্প্রসারণের অগ্রাধিকারমূলক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের পলিসি সাপোর্ট অধিশাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মজুমদার। তিনি বলেন, ‘আজকের এই আয়োজনে অনেক বিষয় উঠে এসেছে। সেটা আমাদের নীতিতে উঠে আসবে এবং পরবর্তীতে নীতি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এসময় ঢাকার সুইডেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পরিবেশ ও জলবায়ু) এবং উন্নয়ন সহযোগিতার উপ-প্রধান নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান অতিথি ছিলেন।
নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রম বলেন, ‘আমরা এ বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দিই যে- পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) খাত কোনো বিচ্ছিন্ন কিছু নয়; বরং এতে এমন অনেক বিষয় ও উপাদান রয়েছে যা এ খাতের ওপর নির্ভরশীল বা এর ওপর প্রভাব ফেলে এবং যেগুলো একসঙ্গে কাজ করলেই ওয়াশ খাতটি ভালোভাবে কার্যকর হতে পারে।’
মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান উল্লেখ করেন, ‘অবকাঠামো ও সেবা চলমান রাখার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় নাগরিকদের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমরা চাই, ওয়াটারএইড যে কাজের মাধ্যমে আমাদের নগরকে আলোকিত করছে, তার পরিধি আরও বৃদ্ধি পাক।’
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান। স্বাগত বক্তব্য দেন সংস্থাটির বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ও কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী।
এসময় নীতিনির্ধারক, সরকারি কর্মকর্তা, দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, থিংক ট্যাংক, খাত-সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ এবং এনজিও ও আইএনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এনএইচ/একিউএফ
What's Your Reaction?