শান্ত-ওয়াসিমের ব্যাটে রাজশাহীর কাছে পাত্তাই পেল না রংপুর

তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরিছোঁয়া ইনিংস বাঁচাতে পারল না রংপুর রাইডার্সকে। এই ব্যাটারের ঝোড়ো ব্যাটিং বৃথা করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে দুর্দান্ত এক জয় এনে দিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোহাম্মদ ওয়াসিম। এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে চড়ে রংপুরকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে রাজশাহী। রোববার (১১ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ১৭৮ রান করে রংপুর। জবাবে ৫ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে রাজশাহী। রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়ে ফেলে রাজশাহী। তবে এরপর শক্ত হাতে ঘুরে দাঁড়ায় অধিনায়ক শান্ত ও মোহাম্মদ ওয়াসিমের ব্যাটে। দুজনের অনবদ্য পার্টনারশিপ বরং আক্ষেপ জাগিয়েছে, লক্ষ্যটা আরও বড় হলে হয়তো একটা সেঞ্চুরি দেখা যেত। শান্ত ৪২ বলে ৭৬ রান করে আউট হন। তার বিদায়ে ভাঙে দ্বিতীয় উইকেটে গড়া ১৪২ রানের জুটি। ৫৯ বলে ৮৭ রান করে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন ওয়াসিম। রাজশাহী পায় ৭ উইকেটের জয়।  এর আগে, বিপিএলের ২১তম ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান সংগ্রহ করে রংপুর। ইনিংসের মাঝপথে ৭২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল রংপুর। বিশেষ করে ইফতিখার আহমেদের মন্থর গতির ব্

শান্ত-ওয়াসিমের ব্যাটে রাজশাহীর কাছে পাত্তাই পেল না রংপুর

তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরিছোঁয়া ইনিংস বাঁচাতে পারল না রংপুর রাইডার্সকে। এই ব্যাটারের ঝোড়ো ব্যাটিং বৃথা করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে দুর্দান্ত এক জয় এনে দিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোহাম্মদ ওয়াসিম। এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে চড়ে রংপুরকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে রাজশাহী।

রোববার (১১ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ১৭৮ রান করে রংপুর। জবাবে ৫ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে রাজশাহী।

রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়ে ফেলে রাজশাহী। তবে এরপর শক্ত হাতে ঘুরে দাঁড়ায় অধিনায়ক শান্ত ও মোহাম্মদ ওয়াসিমের ব্যাটে। দুজনের অনবদ্য পার্টনারশিপ বরং আক্ষেপ জাগিয়েছে, লক্ষ্যটা আরও বড় হলে হয়তো একটা সেঞ্চুরি দেখা যেত। শান্ত ৪২ বলে ৭৬ রান করে আউট হন। তার বিদায়ে ভাঙে দ্বিতীয় উইকেটে গড়া ১৪২ রানের জুটি। ৫৯ বলে ৮৭ রান করে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন ওয়াসিম। রাজশাহী পায় ৭ উইকেটের জয়। 

এর আগে, বিপিএলের ২১তম ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান সংগ্রহ করে রংপুর।

ইনিংসের মাঝপথে ৭২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল রংপুর। বিশেষ করে ইফতিখার আহমেদের মন্থর গতির ব্যাটিংয়ে (১৫ বলে ৮ রান) রানের চাকা স্থবির হয়ে পড়েছিল। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন তাওহিদ হৃদয় ও খুশদিল শাহ। 

চতুর্থ উইকেটে এই দুজন গড়েন ১০৫ রানের বিশাল জুটি। ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় রিপন মণ্ডলের করা ১৯তম ওভারে। ওই এক ওভারেই ৪টি ছক্কাসহ ২৮ রান তুলে নেন হৃদয় ও খুশদিল। খুশদিল ২৯ বলে ৪৪ রান করে শেষ ওভারে আউট হলেও হৃদয় ছিলেন অবিচল। ৫৬ বলের ইনিংসে ৮টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow