শাপলা চত্বরের প্রতিবাদহীনতাই পরবর্তী দুঃশাসনের পথ খুলে দিয়েছিল: উসামা

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ও শাপলা চত্বরের ঘটনার পর যথাযথ প্রতিবাদ না হওয়ায় তৎকালীন পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন মুফতি আলী হাসান উসামা। মঙ্গলবার (৫ মে) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসুর উদ্যোগে আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা দিবস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   ​তিনি বলেন, সেদিন যারা নবী করিমের (সা.) সম্মান রক্ষায় ও ধর্মীয় অনুভূতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে সমাবেশে এসেছিলেন, তাদের ওপর রাষ্ট্রীয় শক্তির কঠোর দমন-পীড়ন চালানো হয়। অথচ ঘটনার পর বিভিন্ন মহলের নীরবতা সত্য উদঘাটনে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। ​তিনি আরও বলেন, ঘটনার দীর্ঘ ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো শহীদদের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ না হওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজ না নেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদ্‌দীন বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনা নিয়ে কথা বলতে জাতিকে দীর্ঘ ১৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই ঘটনার মধ্যে অনেক আবেগ ও শিক্ষার বিষয় রয়েছে। সেদিন যারা জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিলেন, তারা সাহসী মানুষ। এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরত

শাপলা চত্বরের প্রতিবাদহীনতাই পরবর্তী দুঃশাসনের পথ খুলে দিয়েছিল: উসামা

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ও শাপলা চত্বরের ঘটনার পর যথাযথ প্রতিবাদ না হওয়ায় তৎকালীন পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন মুফতি আলী হাসান উসামা।

মঙ্গলবার (৫ মে) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসুর উদ্যোগে আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা দিবস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  

​তিনি বলেন, সেদিন যারা নবী করিমের (সা.) সম্মান রক্ষায় ও ধর্মীয় অনুভূতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে সমাবেশে এসেছিলেন, তাদের ওপর রাষ্ট্রীয় শক্তির কঠোর দমন-পীড়ন চালানো হয়। অথচ ঘটনার পর বিভিন্ন মহলের নীরবতা সত্য উদঘাটনে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।

​তিনি আরও বলেন, ঘটনার দীর্ঘ ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো শহীদদের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ না হওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজ না নেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদ্‌দীন বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনা নিয়ে কথা বলতে জাতিকে দীর্ঘ ১৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই ঘটনার মধ্যে অনেক আবেগ ও শিক্ষার বিষয় রয়েছে। সেদিন যারা জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিলেন, তারা সাহসী মানুষ। এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। ঘটনার সময় সবার ভূমিকা নিয়ে নিবিড় গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম আরিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং বিপুল শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা ভবিষ্যতে যেন কোনো স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী শক্তি পুনরায় মাথাচাড়া দিতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

টিএইচকিউ/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow