শাবিপ্রবিতে গণইফতারে অংশ নিলেন হাজারো শিক্ষার্থী
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) সামাজিক সংগঠন ‘স্টুডেন্ট এইড সাস্ট’-এর তৃতীয়বারের মতো গণইফতারের আয়োজন করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর এলাকায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘অঙ্গীকার’র নাশিদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় গণইফতার কর্মসূচি। স্টুডেন্ট এইড সাস্টের সভাপতি শাকিল মাহমুদ বলেন, ইফতার আমাদের সংস্কৃতির অংশ। এটি পারস্পরিক সৌজন্যবোধ ও সম্পর্ক বৃদ্ধি করে। স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের আমলে ক্যাম্পাসে ইফতারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। সেই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ থেকেই গণইফতারের সূচনা, যা পরবর্তীতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও ছড়িয়ে পড়ে। ২০২৪ সালের রমজান মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ইফতার আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা দেয় তৎকালীন প্রশাসন। ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে শাবিপ্রবিতে গণইফতার কর্মসূচি শুরু হয়। এসএইচ জাহিদ/এসআর/জেআইএম
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) সামাজিক সংগঠন ‘স্টুডেন্ট এইড সাস্ট’-এর তৃতীয়বারের মতো গণইফতারের আয়োজন করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর এলাকায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘অঙ্গীকার’র নাশিদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় গণইফতার কর্মসূচি।
স্টুডেন্ট এইড সাস্টের সভাপতি শাকিল মাহমুদ বলেন, ইফতার আমাদের সংস্কৃতির অংশ। এটি পারস্পরিক সৌজন্যবোধ ও সম্পর্ক বৃদ্ধি করে। স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের আমলে ক্যাম্পাসে ইফতারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। সেই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ থেকেই গণইফতারের সূচনা, যা পরবর্তীতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও ছড়িয়ে পড়ে।
২০২৪ সালের রমজান মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ইফতার আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা দেয় তৎকালীন প্রশাসন। ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে শাবিপ্রবিতে গণইফতার কর্মসূচি শুরু হয়।
এসএইচ জাহিদ/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?