শাবিপ্রবির হলে ফাটল, কক্ষ ছাড়ার নির্দেশে বিপাকে শিক্ষার্থীরা
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আয়েশা সিদ্দিকা হলের ‘সি ব্লকে’ ফাটলের কারণে ঝুঁকি এড়াতে ছাত্রীদের কক্ষ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২৪ জুন) হলটির ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট ড. ফাহমিদা আখতার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে আকস্মিক এ নির্দেশনায় বিপাকে পড়েছেন হলটিতে অবস্থানরত একাধিক শিক্ষার্থী। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আয়েশা সিদ্দিকা হলের \'সি\' ব্লকের ৩২২, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৪২২, ৪২৩, ৪২৪, ৪২৫ ও ৪২৬ নং রুমের ছাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সি ব্লক ঝুঁকিতে থাকার কারণে আজ রাতের মধ্যে উল্লেখিত রুমের ছাত্রীরা গেস্টরুম, লন্ড্রিরুম ও \'ডি\' ব্লকের রিডিং রুমে স্থানান্তর হওয়ার জন্য বিশেষভাবে বলা হল। সব ছাত্রীদের সহযোগিতা কামনা করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওই দিন সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং প্রক্টর হলের \'সি\' ব্লক পরিদর্শন করে এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। হলটির শিক্ষার্থীরা জানান, হলের বিভিন্ন কক্ষে আগে থেকেই ফাটল ছিল। সম্প্রতি ভূমিকম্পের কারণে ফাটলগুলো আরও বড় হতে শুরু করে। এছাড়া দেয়ালের কোনো কোনো অংশ দেবে গেছে। বিষয়গুলো হল প্রভোস্টকে জানানো হল
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আয়েশা সিদ্দিকা হলের ‘সি ব্লকে’ ফাটলের কারণে ঝুঁকি এড়াতে ছাত্রীদের কক্ষ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (২৪ জুন) হলটির ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট ড. ফাহমিদা আখতার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে আকস্মিক এ নির্দেশনায় বিপাকে পড়েছেন হলটিতে অবস্থানরত একাধিক শিক্ষার্থী।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আয়েশা সিদ্দিকা হলের 'সি' ব্লকের ৩২২, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৪২২, ৪২৩, ৪২৪, ৪২৫ ও ৪২৬ নং রুমের ছাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সি ব্লক ঝুঁকিতে থাকার কারণে আজ রাতের মধ্যে উল্লেখিত রুমের ছাত্রীরা গেস্টরুম, লন্ড্রিরুম ও 'ডি' ব্লকের রিডিং রুমে স্থানান্তর হওয়ার জন্য বিশেষভাবে বলা হল।
সব ছাত্রীদের সহযোগিতা কামনা করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওই দিন সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং প্রক্টর হলের 'সি' ব্লক পরিদর্শন করে এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
হলটির শিক্ষার্থীরা জানান, হলের বিভিন্ন কক্ষে আগে থেকেই ফাটল ছিল। সম্প্রতি ভূমিকম্পের কারণে ফাটলগুলো আরও বড় হতে শুরু করে। এছাড়া দেয়ালের কোনো কোনো অংশ দেবে গেছে। বিষয়গুলো হল প্রভোস্টকে জানানো হলে তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং উপাচার্যকে অবহিত করেন। পরে উপাচার্য হলে গিয়ে বৃহস্পতিবারের (২৫ জুন) মধ্যে তাদের শিফট করার নির্দেশ দেন।
এদিকে আকস্মিক নির্দেশনায় অনিশ্চয়তায় পড়েন ছাত্রীরা। নিজ কক্ষ ছেড়ে কোথায় থাকবেন এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারা। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গেস্ট রুম বা রিডিং রুমে থাকার কথা বলা হয়। এখন পর্যন্ত বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষগুলো থেকে ৩৫ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থী নিজ কক্ষ ত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হলের এক শিক্ষার্থী জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রথমে সাব হল, এরপর এক্সটেনশনসহ অনেক পর্যায় অতিক্রম করে মূল হলে একটি আসন পেয়েছি। এখন পড়াশোনার চাপও বেশি। কেউ শেষ বর্ষে, কারও থিসিস চলছে। এ অবস্থায় আবার আগের মতো গণরুমে বা অন্য কোথাও থেকে পড়াশোনা করা সম্ভব নয়। প্রশাসন চাইলে আরও ভালো কোনো সমাধান করতে পারত।’
হলটির ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট ড. ফাহমিদা আখতারসহ সহকারী প্রভোস্টদের একাধিকবার কল দেওয়া হলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘ফাটলগুলো এক বছরের বেশি সময় ধরে তৈরি হয়েছে। আমরা চাই না ঝুঁকির মধ্যে মেয়েরা থাকুক। সমস্যা সমাধানে প্রভোস্টরা কাজ করছেন। আশা করছি শিগগিরই ভালো একটি সমাধান হবে।’
এসএইচ জাহিদ/এএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?