শাহ আমানতে প্রবাসীদের জন্য বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা ও কম খরচে ব্যাগেজ র্যাপিং সুবিধা চালু করা হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে এ দুটি সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর বলেন, বিদেশফেরত অসুস্থ প্রবাসী কিংবা মৃত প্রবাসীর মরদেহ পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে এখন থেকে বিমানবন্দর এলাকায় সার্বক্ষণিক বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা পাওয়া যাবে। একইসঙ্গে ওয়েজ আর্নার্স কার্ডধারী যাত্রীরা মাত্র ১০০ টাকায় ব্যাগেজ র্যাপিং সুবিধা নিতে পারবেন। সোমবার বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সভায় এ তথ্য জানান বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর। সভার আয়োজন করে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। সভায় জানানো হয়, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারকারী যাত্রীদের বড় অংশই প্রবাসী শ্রমিক। তাদের যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ করতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সেবামূলক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আবদুল্লাহ আলমগীর বলেন, বর্তমানে যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই, মোবাইল চার্জিং স্টেশন, টেলিফোন বুথ, নামাজের জায়গ
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা ও কম খরচে ব্যাগেজ র্যাপিং সুবিধা চালু করা হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে এ দুটি সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।
বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর বলেন, বিদেশফেরত অসুস্থ প্রবাসী কিংবা মৃত প্রবাসীর মরদেহ পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে এখন থেকে বিমানবন্দর এলাকায় সার্বক্ষণিক বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা পাওয়া যাবে। একইসঙ্গে ওয়েজ আর্নার্স কার্ডধারী যাত্রীরা মাত্র ১০০ টাকায় ব্যাগেজ র্যাপিং সুবিধা নিতে পারবেন।
সোমবার বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সভায় এ তথ্য জানান বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর। সভার আয়োজন করে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড।
সভায় জানানো হয়, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারকারী যাত্রীদের বড় অংশই প্রবাসী শ্রমিক। তাদের যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ করতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সেবামূলক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আবদুল্লাহ আলমগীর বলেন, বর্তমানে যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই, মোবাইল চার্জিং স্টেশন, টেলিফোন বুথ, নামাজের জায়গা, শিশুদের জন্য ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার, নতুন লাউঞ্জ চেয়ার এবং আন্তর্জাতিক মানের স্মোকিং জোনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রীদের জন্য অ্যাপ্রোন এলাকায় র্যাম্প কার সেবাও চালু রয়েছে।
যাত্রী হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান উন্নয়নে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কথাও জানানো হয়। পাশাপাশি কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা দুস্থ প্রবাসীদের সহায়তায় কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাই তাদের জন্য বিমানবন্দরে আরও মানবিক ও যাত্রীবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এমআরএএইচ/এএমএ
What's Your Reaction?