শাহজাদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেনারেটর চালু, স্বস্তি রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের
একজোড়া ব্যাটারির সমস্যার কারণে অচল থাকার পর অবশেষে চালু হয়েছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র জেনারেটর। হাসপাতালের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নতুন ব্যাটারি সংযোজন ও প্রয়োজনীয় মেরামতের মাধ্যমে জেনারেটরটি সচল করা হয়েছে।হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জেনারেটরটি অচল থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলেই অপারেশন থিয়েটার, প্যাথলজি বিভাগসহ জরুরি চিকিৎসাসেবায় বিঘ্ন ঘটত। এতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। বিশেষ করে রাতে লোডশেডিং হলে পুরো হাসপাতাল অন্ধকারে ডুবে গিয়ে এক ধরনের আতঙ্কজনক পরিবেশের সৃষ্টি হতো।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাসুদ রানা জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র জেনারেটরটির ব্যাটারি অনেক পুরোনো হয়ে যাওয়ায় তা বারবার বিকল হয়ে পড়ছিল। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় জরুরি সেবা চালিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে উঠেছিল। রোগীদের ভোগান্তি কমাতে হাসপাতালের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নতুন ব্যাটারি স্থাপন করে জেনারেটরটি পুনরায় চালু করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এখন থেকে বিদ্যুৎ না থাকলেও অপারেশন থিয়েটার, প্যাথলজি ও অন্যান্য জরুরি চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে নেওয়া
একজোড়া ব্যাটারির সমস্যার কারণে অচল থাকার পর অবশেষে চালু হয়েছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র জেনারেটর। হাসপাতালের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নতুন ব্যাটারি সংযোজন ও প্রয়োজনীয় মেরামতের মাধ্যমে জেনারেটরটি সচল করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জেনারেটরটি অচল থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলেই অপারেশন থিয়েটার, প্যাথলজি বিভাগসহ জরুরি চিকিৎসাসেবায় বিঘ্ন ঘটত। এতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। বিশেষ করে রাতে লোডশেডিং হলে পুরো হাসপাতাল অন্ধকারে ডুবে গিয়ে এক ধরনের আতঙ্কজনক পরিবেশের সৃষ্টি হতো।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাসুদ রানা জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র জেনারেটরটির ব্যাটারি অনেক পুরোনো হয়ে যাওয়ায় তা বারবার বিকল হয়ে পড়ছিল। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় জরুরি সেবা চালিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে উঠেছিল। রোগীদের ভোগান্তি কমাতে হাসপাতালের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নতুন ব্যাটারি স্থাপন করে জেনারেটরটি পুনরায় চালু করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এখন থেকে বিদ্যুৎ না থাকলেও অপারেশন থিয়েটার, প্যাথলজি ও অন্যান্য জরুরি চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। এতে রোগী ও স্বজনদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে এবং হাসপাতালের সার্বিক সেবার মান আরও উন্নত হবে।
What's Your Reaction?