শাহজাদপুরে জেএসডি প্রার্থীকে নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ
সিরাজগঞ্জ-০৬ (শাহজাদপুর) আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) মনোনীত তারা প্রতীকের প্রার্থী ইলোরা সোমাকে নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধা এবং হেনস্তা করার অভিযোগ তুলেছেন প্রার্থী। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে উপজেলার পৌর সদরের পাড়কোলা মহল্লার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ অভিযোগ তোলেন জেএসডি প্রার্থী ইলোরা। নির্বাচন কমিশনও একটি নির্দিষ্ট দলের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে জেএসডি প্রার্থী ইলোরা সোমা বলেন, "শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা বাজারে শুক্রবার দুপুরে নির্বাচনী প্রচারনা করার সময় একটি বড় দলের কর্মীরা প্রচারণায় বাধা প্রদান করে বলে, তাদের প্রার্থী এমপি হয়ে গেছে। তাই আমার নিজের ভোটটা যেন নষ্ট না করে তাদের প্রার্থীকে দেই। বারবার নিজেকে একজন বৈধ প্রার্থী পরিচয় দেওয়ার পরেও তারা বলে, টাকা পয়সা নষ্ট করার দরকার নেই, আর ভোটটাও যেন নষ্ট না করে তাদের প্রার্থীকে দেই।" এসময় তিনি নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন বড় দলের পক্ষ হয়ে কাজ করছে। বাকী প্রার্থীদের প্রতি কোন আগ্রহ নেই। শুধু ব
সিরাজগঞ্জ-০৬ (শাহজাদপুর) আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) মনোনীত তারা প্রতীকের প্রার্থী ইলোরা সোমাকে নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধা এবং হেনস্তা করার অভিযোগ তুলেছেন প্রার্থী।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে উপজেলার পৌর সদরের পাড়কোলা মহল্লার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ অভিযোগ তোলেন জেএসডি প্রার্থী ইলোরা। নির্বাচন কমিশনও একটি নির্দিষ্ট দলের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে জেএসডি প্রার্থী ইলোরা সোমা বলেন, "শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা বাজারে শুক্রবার দুপুরে নির্বাচনী প্রচারনা করার সময় একটি বড় দলের কর্মীরা প্রচারণায় বাধা প্রদান করে বলে, তাদের প্রার্থী এমপি হয়ে গেছে। তাই আমার নিজের ভোটটা যেন নষ্ট না করে তাদের প্রার্থীকে দেই। বারবার নিজেকে একজন বৈধ প্রার্থী পরিচয় দেওয়ার পরেও তারা বলে, টাকা পয়সা নষ্ট করার দরকার নেই, আর ভোটটাও যেন নষ্ট না করে তাদের প্রার্থীকে দেই।"
এসময় তিনি নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন বড় দলের পক্ষ হয়ে কাজ করছে। বাকী প্রার্থীদের প্রতি কোন আগ্রহ নেই। শুধু বড় দলের প্রার্থীর কথাই শোনে।
এদিন ইলোরা সোমা আরও বলেন, তাদের কর্মীদের নিয়মিত একটি বড় দলের কর্মীরা হুমকি ধামকি দিচ্ছে। নির্বাচনের পর জেলে ভরে দিবে এবং বাড়ী ঘর ভাংচুর করবে বলে ভয় দেখাচ্ছে। এমনকি পুলিশ সেজে কর্মীদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ভয় দেখিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে। এসব নিয়ে নির্বাচন কমিশন বা স্থানীয় প্রশাসন কেউই গুরুত্ব দিচ্ছে না।
নির্বাচনে এমন বাঁধা প্রদান, প্রার্থীকে হেনস্তা এবং কর্মীদের তুলে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান জেএসডি মনোনীত প্রার্থী ইলোরা সোমা।
এব্যাপারে সিরাজগঞ্জ-০৬(শাহজাদপুর) আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসফিকা হোসেন প্রার্থীর অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কোন প্রার্থীর জন্যই প্রশাসন এককভাবে কাজ করছে না এবং করতেও পারে না। আমরা সবার জন্যই সমানভাবে কাজ করছি। এছাড়াও আজ পর্যন্ত যে যে প্রার্থী অভিযোগ দিয়েছে তা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। তাছাড়াও জেএসডি প্রার্থী ইলোরা সোমা কোন লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ দেননি। তিনি যদি অভিযোগ দেন তাহলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
What's Your Reaction?