শাহজালাল বিমানবন্দরে আটকে থাকা পণ্য বিক্রিতে বিশেষ ই-নিলাম
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট ইউনিট ও এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রির জন্য বিশেষ ই-নিলাম আয়োজন করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, বিমানবন্দরের কর্ম উপযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি নিরসন, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম নির্ধারণে ক্রেতাদের লাভ না ক্ষতি? বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা কাস্টমস হাউসের অধীন এয়ারফ্রেইট ইউনিট ও এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটে রক্ষিত বিভিন্ন পণ্য ‘যেখানে যে অবস্থায় আছে’ ভিত্তিতে ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। এ লক্ষ্যে আগ্রহী ক্রেতাদের কাছ থেকে অনলাইনে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এনবিআরের বিশেষ আদেশ নং-২৬/২০২৬/কাস্টমসের নির্দেশনা অনুযায়ী, সংরক্ষিত মূল্য ব্যতীত প্রথম নিলামে কোনো লটের বিপরীতে প্রাপ্ত সর্বোচ্চ দরেই সংশ্লিষ্ট পণ্য বিক্রি করা হবে। নিলামে অংশগ্রহণে আগ্রহীরা আগামী ১৯ জুন সকাল ৯টা থেক
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট ইউনিট ও এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রির জন্য বিশেষ ই-নিলাম আয়োজন করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, বিমানবন্দরের কর্ম উপযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি নিরসন, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা কাস্টমস হাউসের অধীন এয়ারফ্রেইট ইউনিট ও এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটে রক্ষিত বিভিন্ন পণ্য ‘যেখানে যে অবস্থায় আছে’ ভিত্তিতে ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। এ লক্ষ্যে আগ্রহী ক্রেতাদের কাছ থেকে অনলাইনে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
এনবিআরের বিশেষ আদেশ নং-২৬/২০২৬/কাস্টমসের নির্দেশনা অনুযায়ী, সংরক্ষিত মূল্য ব্যতীত প্রথম নিলামে কোনো লটের বিপরীতে প্রাপ্ত সর্বোচ্চ দরেই সংশ্লিষ্ট পণ্য বিক্রি করা হবে।
নিলামে অংশগ্রহণে আগ্রহীরা আগামী ১৯ জুন সকাল ৯টা থেকে ২ জুলাই দুপুর ১টা পর্যন্ত কাস্টমস ও এনবিআরের ওয়েবসাইটে উল্লেখিত ই-অকশন প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন বা লগইন করে দরপত্র জমা দিতে পারবেন।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। প্রতিযোগিতা বাড়াতে বিডারদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে।
সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪-এর প্রযোজ্য শর্ত মেনে পণ্য খালাস নিতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ই-অকশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী বিডারদের তথ্য আগামী ২ জুলাই দুপুর ৩টায় কাস্টমস হাউস ঢাকার সম্মেলন কক্ষে প্রকাশ করা হবে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের মতে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও দক্ষ করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এসএম/কেএসআর
What's Your Reaction?

