শাহবাগ অবরোধ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলার সদস্যসচিব মাহদী হাসানের মুক্তির দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শাহবাগ মোড়ের মাঝখানে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন। এসম তারা ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’; ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’; ‘মুক্তি মুক্তি চাই, মাহদীর মুক্তি চাই’ এমন স্লোগান দিচ্ছেন। এর আগে, শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত ১০টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফেসবুক পোস্টে হবিগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব মাহদী হাসানের মুক্তির দাবিতে সবাইকে শাহবাগ আসার আহ্বান জানানো হয়। এই পোস্টের পরপরই রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহবাগ অবরোধ করেন তারা। এদিকে মাহদী হাসানকে আটক করার খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা। পুলিশ থানার প্রধান ফটক বন্ধ করে থানার ভেতরে অবস্থান করছেন। সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার শায়েস
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলার সদস্যসচিব মাহদী হাসানের মুক্তির দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শাহবাগ মোড়ের মাঝখানে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন। এসম তারা ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’; ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’; ‘মুক্তি মুক্তি চাই, মাহদীর মুক্তি চাই’ এমন স্লোগান দিচ্ছেন।
এর আগে, শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত ১০টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফেসবুক পোস্টে হবিগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব মাহদী হাসানের মুক্তির দাবিতে সবাইকে শাহবাগ আসার আহ্বান জানানো হয়। এই পোস্টের পরপরই রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহবাগ অবরোধ করেন তারা।
এদিকে মাহদী হাসানকে আটক করার খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা। পুলিশ থানার প্রধান ফটক বন্ধ করে থানার ভেতরে অবস্থান করছেন। সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে আটক করে থানায় নিয়ে আসে শায়েস্তাগঞ্জ থানা–পুলিশ। এনামুলকে আটকের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা তার মুক্তির দাবিতে শুক্রবার দুপুরে থানা ঘেরাও করেন। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলার সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী থানার ওসির কক্ষে অবস্থান নেন। এ সময় ওসির সঙ্গে মাহদী হাসানের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মাহদীকে বলতে শোনা যায়, ‘জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি। এই জায়গায় আপনারা আমাদের প্রশাসনের লোক। আপনারা আমাদের ছেলেদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে এসেছেন। আবার আমাদের সঙ্গে বার্গেনিং করছেন। আপনি (ওসি) বলেছেন, “আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে?” একপর্যায়ে মাহদী হাসান বলেন, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম। ওই জায়গা থেকে উনি (ওসি) কোন সাহসে এটা (আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে) বললেন। আমি স্ট্রিক্টলি এখানে আসছি। আমরা এতগুলা ছেলে ভাইসা আসছি নাকি।’
এদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে শায়েস্তানগর এলাকা থেকে থানার ওসিকে প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করায় মাহদী হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ বিষয়ে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াসমিন খাতুন কালবেলাকে বলেন, শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিকে প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করার অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলার সদস্যসচিব মাহদী হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
What's Your Reaction?