শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত না বদলালে কঠোর কর্মসূচি: ইসলামী আন্দোলন
শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হলে বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ। তিনি বলেন, আজ বুধবার (১২ আগস্ট) এর মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে পরিবর্তন না আনলে বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নগর আমেলার নিয়মিত সভায় তিনি এ প্রতিবাদ ও কর্মসূচির ঘোষণা দেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের জনগণ আশা করেছিল শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও রাজনীতিসহ সব ক্ষেত্রে নতুনত্ব আসবে। নতুন নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নেবে এবং শিক্ষাঙ্গন উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাবে। কিন্তু যারা শিক্ষা দেবেন সেই মহান শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতিকেই দুর্নীতির আঁতুড়ঘরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন পরিবর্তিত বাস্তবতা বুঝতে
শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হলে বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
তিনি বলেন, আজ বুধবার (১২ আগস্ট) এর মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে পরিবর্তন না আনলে বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নগর আমেলার নিয়মিত সভায় তিনি এ প্রতিবাদ ও কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের জনগণ আশা করেছিল শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও রাজনীতিসহ সব ক্ষেত্রে নতুনত্ব আসবে। নতুন নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নেবে এবং শিক্ষাঙ্গন উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাবে। কিন্তু যারা শিক্ষা দেবেন সেই মহান শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতিকেই দুর্নীতির আঁতুড়ঘরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন পরিবর্তিত বাস্তবতা বুঝতে পারছেন না। তার ক্ষেত্রে জেনারেশন গ্যাপ প্রবল হয়ে উঠছে। ২০২৫ সালে একটি নির্দেশনার মাধ্যমে স্কুলের কর্মচারী নিয়োগ জেলা প্রশাসকের অধীন একটি কমিটির কর্তৃত্বে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী মিলন সেটি বাতিল করে আবার স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির হাতে নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও তিনি একই নীতি নিয়েছেন। মিলন সাহেবকে দয়া করে নতুন বাস্তবতা অনুধাবন করার আহ্বান জানাচ্ছি।
নগর সেক্রেটারি কে এম শরীয়াতুল্লাহর সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নগর সহ-সভাপতি জি এম রুহুল আমীন, আলহাজ আনোয়ার হোসেন, আলহাজ আবদুল আউয়াল মজুমদার, জয়েন্ট সেক্রেটারি ফজলুল হক মৃধা, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুফতি আবদুল আহাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম খোকন, হাফেজ সালাহউদ্দিন, তারিক মাসউদ, মাওলানা নজরুল ইসলাম, বেলাল হোসেন আরিফ, ওমর ফারুক, দপ্তর সম্পাদক গাজী নাজিমুদ্দিন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক ইউসুফ আহমাদ মানসুর, আলহাজ্ব আবদুর রহমান, এমদাদুল ফেরদাউস, মাহবুবুর রহমান নাহিয়ান, আবদুর রাজ্জাক আকন, মুফতী মাসউদুর রহমান প্রমুখ।
এমইউ/এসএনআর
What's Your Reaction?
