শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের অনুদান দেবে সরকার, যেভাবে করবেন আবেদন
শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সব বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষার্থীদের জন্য অনুদানের আবেদন আহ্বান করেছে। আবেদন শুরু হয়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে এবং চলবে ১৭ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত। এ তথ্য রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান বা রেজিস্ট্রারকে www.mygov.bd মাইগভ প্ল্যাটফর্মে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের সময় মোবাইল নম্বর ব্যানবেইসের সর্বশেষ বার্ষিক শিক্ষা জরিপ-২০২৫ অনুযায়ী দিতে হবে। রেজিস্ট্রেশন শেষে EIIN নম্বর দিয়ে প্রোফাইল যাচাই সম্পন্ন করতে হবে। দেশের সকল স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত) তাদের মেরামত, সংস্কার, আসবাবপত্র সংগ্রহ, পাঠাগার স্থাপন, খেলাধুলার সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং প্রতিবন্ধীবান্ধব করার জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবে। বিশেষভাবে অনগ্রসর এলাকার প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকা
শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সব বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষার্থীদের জন্য অনুদানের আবেদন আহ্বান করেছে। আবেদন শুরু হয়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে এবং চলবে ১৭ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত। এ তথ্য রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান বা রেজিস্ট্রারকে www.mygov.bd মাইগভ প্ল্যাটফর্মে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের সময় মোবাইল নম্বর ব্যানবেইসের সর্বশেষ বার্ষিক শিক্ষা জরিপ-২০২৫ অনুযায়ী দিতে হবে। রেজিস্ট্রেশন শেষে EIIN নম্বর দিয়ে প্রোফাইল যাচাই সম্পন্ন করতে হবে।
দেশের সকল স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত) তাদের মেরামত, সংস্কার, আসবাবপত্র সংগ্রহ, পাঠাগার স্থাপন, খেলাধুলার সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং প্রতিবন্ধীবান্ধব করার জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবে। বিশেষভাবে অনগ্রসর এলাকার প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা দুরারোগ্য ব্যাধি বা দৈব দুর্ঘটনার জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র, চিকিৎসা সংক্রান্ত ডাক্তারি সনদ এবং সরকারি হাসপাতালের প্রত্যয়নপত্র সংযুক্ত করতে হবে।
সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা দুরারোগ্য ব্যাধি, দৈব দুর্ঘটনা এবং শিক্ষা গ্রহণে ব্যয়ের জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবেন। দুস্থ, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, অসহায়, রোগগ্রস্থ, গরীব, মেধাবী ও অনগ্রসর সম্প্রদায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র আবশ্যিক। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র এবং জন্মনিবন্ধন/জাতীয় পরিচয়পত্র সংযুক্ত করতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবেদন প্রধান কর্তৃক করা হবে।
শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান/রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে।
অনুদানপ্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাংক হিসাব তথ্য এবং এমআইসিআর (MICR) চেক বই এর পিডিএফ কপি সংযুক্ত করতে হবে। শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত অর্থ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক-কর্মচারী একবারই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন; পূর্বে সুবিধা পাওয়া ব্যক্তিদের পুনরায় আবেদন করার সুযোগ নেই।
শিক্ষার্থী একটি শিক্ষা জীবনে সর্বোচ্চ ৩ বছর পরপর আবেদন করতে পারবে।
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য জেলা/উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত ‘প্রতিবন্ধী সনদ’ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত সনদ আবশ্যিক।
অসম্পূর্ণ আবেদন বা হার্ডকপি গ্রহণযোগ্য নয়।
আবেদনের শর্তাবলী অমান্যকারী বা অসুদপায়ী বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারবে।
বিস্তারিত শর্তাবলী, নীতিমালা এবং আবেদন সংক্রান্ত সকল তথ্য www.shed.gov.bd- এ পাওয়া যাবে।
What's Your Reaction?