শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চালু হতে পারে অনলাইন ক্লাস

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় দেশজুড়ে জ্বালানি খাতে চাপ তৈরি হয়েছে। নতুন সরবরাহ কমে যাওয়ায় মজুদ দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় জ্বালানি সাশ্রয়ের বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সরকারি সংস্থাগুলোকে নিজ নিজ প্রস্তাবনা জমা দিতে বলা হয়েছে। এসব প্রস্তাবের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও রয়েছে। রমজান ও ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি শেষে গতকাল রোববার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলেছে। আবার ছুটি ঘোষণা বা ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করলে শিক্ষাব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতেই অনলাইন ক্লাসের বিকল্পটি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর পাশাপাশি ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ ব্যবস্থা চালু করা বা অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে। তবে এসব বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সূত্র জানিয়েছে, জ্বাল

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চালু হতে পারে অনলাইন ক্লাস

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় দেশজুড়ে জ্বালানি খাতে চাপ তৈরি হয়েছে। নতুন সরবরাহ কমে যাওয়ায় মজুদ দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় জ্বালানি সাশ্রয়ের বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার।

এর অংশ হিসেবে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সরকারি সংস্থাগুলোকে নিজ নিজ প্রস্তাবনা জমা দিতে বলা হয়েছে। এসব প্রস্তাবের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও রয়েছে।

রমজান ও ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি শেষে গতকাল রোববার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলেছে। আবার ছুটি ঘোষণা বা ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করলে শিক্ষাব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতেই অনলাইন ক্লাসের বিকল্পটি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর পাশাপাশি ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ ব্যবস্থা চালু করা বা অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে। তবে এসব বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি সাশ্রয়ে ইতিমধ্যে সব সকরারি সংস্থাকে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে।

এদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকালে বাধ্যতামূলকভাবে অফিসে ৪০ মিনিট অবস্থান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় এবং অফিস কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ১১টি নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অধীন দফতর-সংস্থা এবং মাঠ প্রশাসনের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এই নির্দেশনার চিঠি পাঠানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow