‘শিক্ষার্থী কম আসে’ এই অজুহাতে আগেই ছুটি দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালা

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বড় হিজলী জুলফিকার ছিদ্দিকিয়া ওয়াজেদিয়া আলিম মাদ্রাসায় নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি দিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ২৫ জুন দুপুর ২টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে এ ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ করে শিক্ষকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করছেন। এ সময় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আ.ফ.ম. আয়াতুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলতে গেলে জানা যায়, তিনি একজন আত্মীয়ের মৃত্যুর কারণে ফরিদপুরে অবস্থান করছেন। পরে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মতিয়ার রহমানের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নন বলে দ্রুত মোটরসাইকেলযোগে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। পরে অধ্যক্ষের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কম থাকা এবং সামনে পরীক্ষা থাকায় আগেই ছুটি দেওয়া হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে প্রতিষ্ঠান ছুটি দেওয়ার নিয়ম আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, “আপনি শিক্ষা অফিসে গিয়ে অভিযোগ করেন যান।” এরপরই তিনি ফোন কেটে দেন। এ বি

‘শিক্ষার্থী কম আসে’ এই অজুহাতে আগেই ছুটি দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালা

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বড় হিজলী জুলফিকার ছিদ্দিকিয়া ওয়াজেদিয়া আলিম মাদ্রাসায় নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি দিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার ২৫ জুন দুপুর ২টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে এ ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ করে শিক্ষকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করছেন।

এ সময় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আ.ফ.ম. আয়াতুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলতে গেলে জানা যায়, তিনি একজন আত্মীয়ের মৃত্যুর কারণে ফরিদপুরে অবস্থান করছেন। পরে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মতিয়ার রহমানের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নন বলে দ্রুত মোটরসাইকেলযোগে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

পরে অধ্যক্ষের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কম থাকা এবং সামনে পরীক্ষা থাকায় আগেই ছুটি দেওয়া হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে প্রতিষ্ঠান ছুটি দেওয়ার নিয়ম আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, “আপনি শিক্ষা অফিসে গিয়ে অভিযোগ করেন যান।” এরপরই তিনি ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বালিয়াকান্দি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল হাই জোয়ারদারের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “কেন এমন হয়েছে, তা আমার জানা নেই। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব। ভবিষ্যতে এমন হবে না।”

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, এই মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরেই এমন পরিস্থিতি চলছে। প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি হয়ে যায়।

এ বিষয়ে বালিয়াকান্দি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পারমিস সুলতানা বলেন, “আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। আগামী রবিবার এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চাওয়া হবে।”

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow