শিক্ষায় গুরুত্ব দিলে বিশ্বের এক নম্বর জাতি হওয়া সম্ভব : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্ব দিলে বিশ্বের এক নম্বর জাতি হওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রবেশিকা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা। এ দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, শিক্ষার্থীসহ সবার।’ নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও চাহিদার বিষয়ে তিনি অবগত হতে চান। এ জন্য উপাচার্যের কাছে লিখিতভাবে সমস্যার তালিকা চেয়েছেন বলেও জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের পুরোনো আবাসিক হলগুলোর সংস্কার জরুরি। যেসব ভবনের বয়স অনেক বেশি হয়ে গেছে, সেগুলোর সংস্কার ও প্রয়োজনীয় উন্নয়নকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতের বাজেট পুনর্মূল্যায়ন করা হ

শিক্ষায় গুরুত্ব দিলে বিশ্বের এক নম্বর জাতি হওয়া সম্ভব : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্ব দিলে বিশ্বের এক নম্বর জাতি হওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রবেশিকা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা। এ দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, শিক্ষার্থীসহ সবার।’

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও চাহিদার বিষয়ে তিনি অবগত হতে চান। এ জন্য উপাচার্যের কাছে লিখিতভাবে সমস্যার তালিকা চেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের পুরোনো আবাসিক হলগুলোর সংস্কার জরুরি। যেসব ভবনের বয়স অনেক বেশি হয়ে গেছে, সেগুলোর সংস্কার ও প্রয়োজনীয় উন্নয়নকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতের বাজেট পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার মান বাড়াতে হবে এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গবেষণাকে আরও উৎসাহিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেশনজট নিরসনে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়ার মধ্যে সমন্বয় আনা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট না হয়।

মন্ত্রী বলেন, ‘২০২৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রমকে সমন্বিতভাবে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, পরিবার, সমাজ ও দেশের প্রতি প্রত্যেকের দায়বদ্ধতা রয়েছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে শিক্ষিত তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘অনেক উন্নত দেশ জনসংখ্যাগত সংকটে ভুগছে। কিন্তু বাংলাদেশের এই বিপুল জনসংখ্যাকে সঠিক শিক্ষা ও দক্ষতার মাধ্যমে সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব। শিক্ষাকে শুধু সনদ অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রব।

এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, জাকসু নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নবীন শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। স্বাগত বক্তব্য দেন শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দিন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow