শিগগির ৫ হাজার চিকিৎসক ও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে

দেশের স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট নিরসনে শিগগির পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, শুধু এখানেই থামবে না, ভবিষ্যতে আরও নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজাতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিসিএফসি) আয়োজিত আইপাস বাংলাদেশের ‘ইমপ্রুভিং এসআরএইচআর ইন ঢাকা’ প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর ধরে এ খাতে অনিয়ম ও লুটপাট হয়েছে। জনগণের কল্যাণে কোনো কাজ না করে মেগা দুর্নীতির মাধ্যমে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলা হয়েছে। আমরা দায়িত্বগ্রহণের পর এই ধ্বংসপ্রায় স্বাস্থ্যব্যবস্থা পেয়েছি, যা এখনো নানান সংকটে জর্জরিত। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজাতে বদ্ধপরিকর। এবারের বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়

শিগগির ৫ হাজার চিকিৎসক ও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে

দেশের স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট নিরসনে শিগগির পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।

তিনি বলেছেন, শুধু এখানেই থামবে না, ভবিষ্যতে আরও নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজাতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিসিএফসি) আয়োজিত আইপাস বাংলাদেশের ‘ইমপ্রুভিং এসআরএইচআর ইন ঢাকা’ প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর ধরে এ খাতে অনিয়ম ও লুটপাট হয়েছে। জনগণের কল্যাণে কোনো কাজ না করে মেগা দুর্নীতির মাধ্যমে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলা হয়েছে। আমরা দায়িত্বগ্রহণের পর এই ধ্বংসপ্রায় স্বাস্থ্যব্যবস্থা পেয়েছি, যা এখনো নানান সংকটে জর্জরিত।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজাতে বদ্ধপরিকর। এবারের বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী গুরুত্ব দিয়ে বলেন, চিকিৎসাসেবার জন্য মানুষকে যেন বারবার ঢাকায় আসতে না হয়, সেজন্য সেবার বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে। আমরা তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে চাই। প্রতিটি জেলায় ক্যানসার ও কিডনিসহ জটিল রোগের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, স্বাস্থ্যখাত মানেই শুধু চিকিৎসক নয়। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে নার্স, মিডওয়াইফ, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফিজিওথেরাপিস্টসহ সংশ্লিষ্ট সবার অংশগ্রহণ ও গুরুত্ব নিশ্চিত করা হবে।

আসন্ন ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব এবং যে কোনো স্বাস্থ্য দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার অত্যন্ত সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে ডা. এম এ মুহিত বলেন, আমরা অতীতে হামসহ বিভিন্ন রোগ মোকাবিলায় সফল হয়েছি। আসন্ন ডেঙ্গুসহ যে কোনো দুর্যোগ আমরা শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে চাই।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. জিন্নাত রেহানা, বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনের হেড অব কো-অপারেশন স্টিফেন উইভার এবং আইপাস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. সাঈদ রুবায়েতসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

‘ইমপ্রুভিং এসআরএইচআর ইন ঢাকা’ প্রকল্পের সমাপনী আয়োজনে নগরের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে প্রকল্পের বিভিন্ন অর্জনের চিত্র তুলে ধরা হয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকার সুবিধাবঞ্চিত ছয় লাখেরও বেশি মানুষের কাছে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এসইউজে/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow