শিমুল ফুলের লাল দুঃখ
আমাদের বাড়ির পশ্চিম কোণে একটা পুরোনো শিমুলগাছ ছিল। গাছটার বয়স কেউ জানত না। দাদু বলতেন, তাঁর বাবার ছোটবেলাতেও নাকি গাছটা ওইখানেই দাঁড়িয়ে ছিল। ফাল্গুন এলে গাছভর্তি লাল ফুল ফুটত। দূর থেকে মনে হতো, কেউ বুঝি আগুনের আঁচল মেলে দিয়েছে আকাশের নিচে। সেই শিমুলগাছটার নিচেই বসতেন আমার ছোট মাসি। মাসির নাম ছিল নন্দিতা। কিন্তু গ্রামের কেউ তাঁকে সেই নামে ডাকত না। সবাই বলত ‘নন্দি বউ’।
আমাদের বাড়ির পশ্চিম কোণে একটা পুরোনো শিমুলগাছ ছিল। গাছটার বয়স কেউ জানত না। দাদু বলতেন, তাঁর বাবার ছোটবেলাতেও নাকি গাছটা ওইখানেই দাঁড়িয়ে ছিল। ফাল্গুন এলে গাছভর্তি লাল ফুল ফুটত। দূর থেকে মনে হতো, কেউ বুঝি আগুনের আঁচল মেলে দিয়েছে আকাশের নিচে। সেই শিমুলগাছটার নিচেই বসতেন আমার ছোট মাসি। মাসির নাম ছিল নন্দিতা। কিন্তু গ্রামের কেউ তাঁকে সেই নামে ডাকত না। সবাই বলত ‘নন্দি বউ’।