শিশু আয়াতকে ৬ টুকরো করে হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরের শিশু আয়াতকে অপহরণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ছয় টুকরো করার মামলায় আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত শনিবার মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকায় ঘরের পাশে মসজিদে আরবি পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয় শিশু আয়াত। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, প্রতিবেশী আবীর আলী মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে তাকে অপহরণ করেন। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে কোথাও লুকিয়ে রাখতে না পেরে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ ছয় টুকরো করে সাগরে ফেলে দেওয়া হয় বলে আদালতে উপস্থাপিত তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে ৩০ নভেম্বর আউটার রিং রোডের আকমল আলী ঘাট সংলগ্ন স্লুইচ গেট এলাকার একটি গর্ত থেকে আয়াতের দুই পা উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

শিশু আয়াতকে ৬ টুকরো করে হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরের শিশু আয়াতকে অপহরণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ছয় টুকরো করার মামলায় আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত শনিবার মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকায় ঘরের পাশে মসজিদে আরবি পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয় শিশু আয়াত। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, প্রতিবেশী আবীর আলী মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে তাকে অপহরণ করেন।

তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে কোথাও লুকিয়ে রাখতে না পেরে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ ছয় টুকরো করে সাগরে ফেলে দেওয়া হয় বলে আদালতে উপস্থাপিত তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

পরবর্তীতে ৩০ নভেম্বর আউটার রিং রোডের আকমল আলী ঘাট সংলগ্ন স্লুইচ গেট এলাকার একটি গর্ত থেকে আয়াতের দুই পা উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়।

এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার অবসান হলো।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow