শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার চার্জশিট কবে, জানালেন তদন্ত কর্মকর্তা
মিরপুরের পল্লবী এলাকায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় রোববার (২৪ মে) চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে। এ মামলার ডিএনএ পরীক্ষার কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ। অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ জানান, তিনি চার্জশিট প্রস্তুত করছেন এবং তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ডিএনএসহ বিভিন্ন প্রতিবেদন পরীক্ষা করছেন। পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে গত ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদ ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে অভিযুক্ত দাবি করেন যে, ঘটনার আগে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। তদন্তকারীরা আরও জানান, অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীর পরিবারের মধ্যে পূর্বে কোনো শত্রুত
মিরপুরের পল্লবী এলাকায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় রোববার (২৪ মে) চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে। এ মামলার ডিএনএ পরীক্ষার কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ।
অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ জানান, তিনি চার্জশিট প্রস্তুত করছেন এবং তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ডিএনএসহ বিভিন্ন প্রতিবেদন পরীক্ষা করছেন।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে গত ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদ ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে অভিযুক্ত দাবি করেন যে, ঘটনার আগে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
তদন্তকারীরা আরও জানান, অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীর পরিবারের মধ্যে পূর্বে কোনো শত্রুতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা ২০ মে পল্লবী থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা করেন। মামলার পর ওইদিনই পুলিশ অভিযুক্ত ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার ও আদালতে হাজির করে এবং তদন্তের স্বার্থে পৃথক আবেদন জমা দেয়।
সূত্র : বাসস
What's Your Reaction?