শিশু রামিসার খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলো ‘মুক্তিসরণি’

রাজধানীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে প্রতিশ্রুতিশীল লেখক ও সাহিত্যিকদের জাতীয় পর্যায়ের সংগঠন ‘মুক্তিসরণি সাহিত্য সংঘ’। সংগঠনটি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২১ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মুক্তিসরণির সভাপতি লেখক, সমাজকর্মী আইনজীবী আমিনুল ইসলাম মামুন এবং সাধারণ সম্পাদক মেহেদী সম্রাট এ আহ্বান জানান। বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম মামুন বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রথম শর্তই  অপরাধীকে দ্রুততম সময়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো। শিশু রামিসার পরিবারের বুকফাটা আর্তনাদ আমাদের বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আমি দাবি জানাচ্ছি, অপরাধী যে হোক কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব যেন তাকে বাঁচাতে না পারে।   সাধারণ সম্পাদক মেহেদী সম্রাট বলেন, যে বয়সে রামিসার হাতে খেলনা থাকার কথা, সেই বয়সে তাকে নরপশুর লালসার শিকার হয়ে লাশ হতে হলো। আমরা কলম সৈনিক। রামিসার এই নির্মম পরিণতি দেখে আমাদের কলম লজ্জায় ও ক্ষোভে কেঁপে উঠছে। রামিসা হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত মুক্তিসরণি সাহিত্য সংঘ লড়

শিশু রামিসার খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলো ‘মুক্তিসরণি’
রাজধানীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে প্রতিশ্রুতিশীল লেখক ও সাহিত্যিকদের জাতীয় পর্যায়ের সংগঠন ‘মুক্তিসরণি সাহিত্য সংঘ’। সংগঠনটি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২১ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মুক্তিসরণির সভাপতি লেখক, সমাজকর্মী আইনজীবী আমিনুল ইসলাম মামুন এবং সাধারণ সম্পাদক মেহেদী সম্রাট এ আহ্বান জানান। বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম মামুন বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রথম শর্তই  অপরাধীকে দ্রুততম সময়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো। শিশু রামিসার পরিবারের বুকফাটা আর্তনাদ আমাদের বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আমি দাবি জানাচ্ছি, অপরাধী যে হোক কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব যেন তাকে বাঁচাতে না পারে।   সাধারণ সম্পাদক মেহেদী সম্রাট বলেন, যে বয়সে রামিসার হাতে খেলনা থাকার কথা, সেই বয়সে তাকে নরপশুর লালসার শিকার হয়ে লাশ হতে হলো। আমরা কলম সৈনিক। রামিসার এই নির্মম পরিণতি দেখে আমাদের কলম লজ্জায় ও ক্ষোভে কেঁপে উঠছে। রামিসা হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত মুক্তিসরণি সাহিত্য সংঘ লড়াই চালিয়ে যাবে।  সাংগঠনিক সম্পাদক শিশুসাহিত্যিক আহমাদ স্বাধীন বলেন, মাত্র কয়েকদিন আগে যে শিশুটি হেসে-খেলে বেড়িয়েছে, আজ সে কবরে। এই পৈশাচিক বর্বরতা কোনো সুস্থ সমাজ বা রাষ্ট্রের চিত্র হতে পারে না। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।  বিবৃতিতে মুক্তিসরণি সাহিত্য সংঘের পক্ষ থেকে রামিসার পরিবারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সব ধরনের আইনি ও নিরাপত্তা সহায়তা প্রদানের দাবি জানানো হয়। অন্যান্যের মধ্যে বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন, সব্যসাচী লেখক সৈয়দ মাজহারুল পারভেজ, ছড়াসাহিত্যিক ও সিদ্দিকীয়া পাবলিকেশন্সের প্রকাশক মালেক মাহমুদ, সমাজকর্মী ও লেখক আমিনুল ইসলাম মামুন, লেখক ও প্রকাশক সাঈদ বারী, লেখক ও কণ্ঠশিল্পী ঢালী মোহাম্মদ দেলোয়ার, শিশুসাহিত্যিক আহমাদ স্বাধীন, ভিওডি বাংলার হেড অব নিউজ রেজাউল করিম হীরা, ক্রাইম রিপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক দপ্তর সম্পাদক রুদ্র রাসেল, লেখক ও দৈনিক আমার দেশের ফিচার সম্পাদক বিউটি হাসু, পরিবেশকর্মী ও কবি ইকবাল হোসেন রোমেছ এবং লেখক ও সাংবাদিক মেহেদী সম্রাট সহ ৫১ জন কবি, লেখক ও সাংবাদিক।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow