শিশু রামিসার হত্যাকারীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় খেলাফত মজলিস
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খেলাফত মজলিস। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে রামিসার হত্যাকারীসহ সব অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দেশে হত্যা, মাদক, অশ্লীলতা, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধ বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং বিচার কার্যক্রম দ্রুত করার আহ্বান জানান তারা। বুধবার (২১ মে) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে এসব কথা বলেন নেতৃবৃন্দ। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী এবং পরিচালনা করেন মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন- বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ড, মাদক, অশ্লীলতা, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ দিন দিন বেড়েই চলেছে। গত ৯ দিনে দেশে পাঁচটি শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তারা অবিলম্বে রামিসার হত্যাকার
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খেলাফত মজলিস। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে রামিসার হত্যাকারীসহ সব অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দেশে হত্যা, মাদক, অশ্লীলতা, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধ বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং বিচার কার্যক্রম দ্রুত করার আহ্বান জানান তারা।
বুধবার (২১ মে) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে এসব কথা বলেন নেতৃবৃন্দ। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী এবং পরিচালনা করেন মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।
বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন- বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ড, মাদক, অশ্লীলতা, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ দিন দিন বেড়েই চলেছে। গত ৯ দিনে দেশে পাঁচটি শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তারা অবিলম্বে রামিসার হত্যাকারীসহ সকল অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে হাট-বাজার ও সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় দুর্বলতা ও বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার কারণে দেশে অপরাধের মাত্রা বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তারা। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের সর্বস্তরে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, সুশাসন নিশ্চিত এবং শরীয়া আইন বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের গুলি করে হত্যা, বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহারে স্থানীয়দের বাধা, মানব, মাদক ও পণ্য চোরাচালানে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তারা পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।
এছাড়া কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে দেশীয় গরুর খামারি ও উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিতে ভারতীয় গরু আমদানি ও চোরাচালান কঠোরভাবে দমন এবং সীমান্তে বিজিবির টহল ও নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।
সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই গণহত্যাসহ সব হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে ট্রাইব্যুনাল ও আদালতে জনবল বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে শেখ হাসিনাসহ পলাতক দণ্ডপ্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের উদ্যোগ জোরদার এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের দেশবিরোধী অপ-তৎপরতা কঠোরভাবে দমনের আহ্বান জানান তারা।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, অধ্যাপক আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, বায়তুলমাল সম্পাদক আলহাজ্ব আবু সালেহীন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট শায়খুল ইসলাম, যুব বিষয়ক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তুহিন, খন্দকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, মুফতি আবদুল হক আমিনী, জিল্লুর রহমান, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, আবুল হোসেন, প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুল হক ও আমির আলী হাওলাদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
What's Your Reaction?