শিশুকে মেরে খালপাড়ে ফেলে দেয় মোশাররফ

বরিশালের হিজলায় খালপাড় থেকে আরিফ রাঢ়ী নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।  শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার গৌরাব্দি ইউনিয়নের চর বিশোর গ্রাম থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।  নিহত আরিফ রাঢ়ী (১১) ওই গ্রামের আনিছ রাঢ়ীর ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল। আটক মোশাররফ হোসেন নিহতের প্রতিবেশী। মোশাররফের বরাতে সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না বলেন, বৃহস্পতিবার এশার নামাজের আগে মোশাররফের ঘরে যায় আরিফ। তখন মোশাররফকে খাটে শোয়া দেখে আরিফ তাকে নামাজ পড়তে যাওয়ার জন্য উঠতে বলে। কিন্তু সে উঠতে না চাইলে আরিফ তাকে একটি চড় দেয়। এ সময় অভিযুক্ত রেগে শিশুর বুকে লাথি দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। পরে মোশাররফ তার মরদেহ বাড়ির পাশে খালে ফেলে দেয়। নিহতের বাবা আনিছ রাঢ়ী জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয় আরিফ। এরপর থেকেই নিখোঁজ হয় সে। রাতভর খোঁজাখুঁজির পরও পাওয়া যায় না তাকে। পরদিন শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে বাড়ির পাশে খালের তীরে আরিফের লাশ খুঁজে পায় স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে প্রতিবেশী

শিশুকে মেরে খালপাড়ে ফেলে দেয় মোশাররফ

বরিশালের হিজলায় খালপাড় থেকে আরিফ রাঢ়ী নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। 

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার গৌরাব্দি ইউনিয়নের চর বিশোর গ্রাম থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। 

নিহত আরিফ রাঢ়ী (১১) ওই গ্রামের আনিছ রাঢ়ীর ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল। আটক মোশাররফ হোসেন নিহতের প্রতিবেশী।

মোশাররফের বরাতে সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না বলেন, বৃহস্পতিবার এশার নামাজের আগে মোশাররফের ঘরে যায় আরিফ। তখন মোশাররফকে খাটে শোয়া দেখে আরিফ তাকে নামাজ পড়তে যাওয়ার জন্য উঠতে বলে। কিন্তু সে উঠতে না চাইলে আরিফ তাকে একটি চড় দেয়। এ সময় অভিযুক্ত রেগে শিশুর বুকে লাথি দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। পরে মোশাররফ তার মরদেহ বাড়ির পাশে খালে ফেলে দেয়।

নিহতের বাবা আনিছ রাঢ়ী জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয় আরিফ। এরপর থেকেই নিখোঁজ হয় সে। রাতভর খোঁজাখুঁজির পরও পাওয়া যায় না তাকে। পরদিন শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে বাড়ির পাশে খালের তীরে আরিফের লাশ খুঁজে পায় স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে প্রতিবেশী মোশাররফকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে নিহতের স্বজনসহ স্থানীয়রা। এ সময় শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করে সে।

আরিফের বাবার অভিযোগ, রাতে ছেলে আরিফকে খোঁজ করার জন্য মোশাররফদের বাসায় গিয়েছিলেন তারা। এ সময় মোশাররফ উল্টাপাল্টা কথা বলে। তাদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এর জেরে আরিফকে হত্যা করা হতে পারে।

হিজলা থানার ওসি আদিল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে খালপাড় থেকে নগ্ন অবস্থায় শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মোশাররফকে আটক করা হয়েছে। সে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তবে কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে সে বিষয়টি জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow