শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ‘এসিআই ক্যাপ্টেন টয়েস’

বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। এই বিপুল জনসংখ্যাই আজ দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম প্রধান শক্তি। আগামি দিনে যারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, সেই শিশুদের সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আজকের শিশুই আগামি দিনের সম্ভাবনা- তাই তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ২০১৮ সালে এসিআই পিএলসি-এর একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এসিআই প্রিমিও প্লাস্টিকস-এর টয় ব্র্যান্ড ‘ক্যাপ্টেন টয়েস’ এর যাত্রা শুরু হয়। শুরু থেকেই ‘ক্যাপ্টেন টয়েস’ শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক এবং নিরাপদ খেলনা তৈরি ও বাজারজাত করে আসছে। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সহজলভ্যতার কারণে অধিকাংশ শিশুই মোবাইল ফোন, গ্যাজেট ও বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে কার্টুন ও বিনোদনমূলক কন্টেন্টে আসক্ত হয়ে পড়ছে। এর ফলে তাদের শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং মানসিক বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় রেখে এসিআই প্রিমিও প্লাস্টিকস-এর ‘ক্যাপ্টেন টয়েস’ ব্র্যান্ড শিশুদের হাটা শেখা থেকে শুরু করে রাইড-অন ও ইলেকট্রিক টয় ক্যাটাগরিতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিভিন্ন খেলনা উৎপাদন করছে। ‘ক্য

শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ‘এসিআই ক্যাপ্টেন টয়েস’

বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। এই বিপুল জনসংখ্যাই আজ দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম প্রধান শক্তি। আগামি দিনে যারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, সেই শিশুদের সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আজকের শিশুই আগামি দিনের সম্ভাবনা- তাই তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ২০১৮ সালে এসিআই পিএলসি-এর একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এসিআই প্রিমিও প্লাস্টিকস-এর টয় ব্র্যান্ড ‘ক্যাপ্টেন টয়েস’ এর যাত্রা শুরু হয়। শুরু থেকেই ‘ক্যাপ্টেন টয়েস’ শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক এবং নিরাপদ খেলনা তৈরি ও বাজারজাত করে আসছে।

বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সহজলভ্যতার কারণে অধিকাংশ শিশুই মোবাইল ফোন, গ্যাজেট ও বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে কার্টুন ও বিনোদনমূলক কন্টেন্টে আসক্ত হয়ে পড়ছে। এর ফলে তাদের শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং মানসিক বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় রেখে এসিআই প্রিমিও প্লাস্টিকস-এর ‘ক্যাপ্টেন টয়েস’ ব্র্যান্ড শিশুদের হাটা শেখা থেকে শুরু করে রাইড-অন ও ইলেকট্রিক টয় ক্যাটাগরিতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিভিন্ন খেলনা উৎপাদন করছে।

‘ক্যাপ্টেন টয়েস’-এর খেলনাগুলোতে বর্ণমালা ও সংখ্যা শেখার পাশাপাশি কল্পনাশক্তি বিকাশে সহায়ক মৌলিক ছড়া সংবলিত শিক্ষামূলক মিউজিক সংযুক্ত করা হয়েছে, যা শিশুদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত এসিআই প্রিমিও প্লাস্টিকস প্রায় ১.৬ মিলিয়ন ইউনিট শিশুবান্ধব খেলনা উৎপাদন করে অভিভাবকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে, যা ছোট্ট সোনামণিদের শৈশবকে আরও আনন্দময় করে তুলেছে। ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় ও যুগোপযোগী ফিচার সংবলিত নতুন নতুন খেলনা সংযোজনের মাধ্যমে এই যাত্রা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ভবিষ্যতে গবেষণালব্ধ তথ্য ও সময়ের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ‘ক্যাপ্টেন টয়েস’ আরও উদ্ভাবনী খেলনা তৈরি ও বাজারজাত করতে কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। এসব খেলনা শিশুদের শৈশবকে আনন্দময় করার পাশাপাশি তাদের মেধা, আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক দক্ষতা বিকাশেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

এসিআই প্রিমিও প্লাস্টিকস-এর মার্কেটিং ম্যানেজার ফরহাদ আহমেদ জানান, বাংলাদেশের খেলনার বার্ষিক বাজার প্রায় ৪,৫০০ কোটি টাকা, যার একটি বড় অংশ এখনও আমদানিনির্ভর। দেশীয় উদ্যোক্তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সুচিন্তিত বিনিয়োগই ভবিষ্যতে দেশীয় ব্র্যান্ডের আধিপত্য নিশ্চিত করবে।

তিনি আরও জানান, এসিআই প্রিমিও প্লাস্টিকস আগামীতে প্রি-স্কুল লার্নিং টয় এবং রাইড-অন ক্যাটাগরিতে আরও নতুন খেলনা যুক্ত করার পাশাপাশি ‘ক্যাপ্টেন টয়েস’ ব্র্যান্ডকে শিশুর সঠিক বিকাশে একটি দায়িত্বশীল ও আস্থাশীল ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের শিশুই আগামি দিনের ক্যাপ্টেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow