শীতকালে গোসল ছাড়া নামাজ পড়া যাবে?

পানি ব্যবহারে ঠান্ডাজনিত সমস্যা ও বিভিন্ন কারণে শীতকালে গোসল থেকে বিরত থাকেন অনেকে। দুই, তিনদিন বা সপ্তাহখানেক বিরতি দিয়েও গোসল করেন কেউ কেউ। কয়েকদিন পর পর গোসল করলে শরীর পবিত্র থাকলে শুধু অজু করে নামাজ আদায় করা যাবে। শীতকালে গোসল না করা নামাজ আদায়ে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে না। শরীর পবিত্র থাকলে গোসল না করলেও নামাজ হয়ে যাবে। তবে কারো ওপর যদি গোসল ফরজ হয় তাহলে তাকে অবশ্যই গোসলের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করে নামাজ আদায় করতে হবে। শুধু শীতের অজুহাতে গোসল ছাড়া নামাজ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। শীতের কারণে গোসল করতে না পারাকে নামাজ ত্যাগের বৈধ কারণ হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। তবে যদি পানি ব্যবহারে বাস্তবিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, এমনকি গরম পানি ব্যবহারেও যদি সমস্যা হয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে যতটুকু অংশ পানি দিয়ে ধোয়া সম্ভব, তা ধুয়ে বাকি অংশের জন্য তায়াম্মুম করার সুযোগ রয়েছে। মনে রাখতে হবে, ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ছেড়ে দেওয়া ইসলামে অত্যন্ত গুরুতর গুনাহ। বরং কিছু আলেমের মতে, জেনে-বুঝে নামাজ ত্যাগ করা ঈমানের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির বিষয়। তাই প্রথম ও প্রধান করণীয় হলো আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে তাওবা করা এবং ভবি

শীতকালে গোসল ছাড়া নামাজ পড়া যাবে?

পানি ব্যবহারে ঠান্ডাজনিত সমস্যা ও বিভিন্ন কারণে শীতকালে গোসল থেকে বিরত থাকেন অনেকে। দুই, তিনদিন বা সপ্তাহখানেক বিরতি দিয়েও গোসল করেন কেউ কেউ। কয়েকদিন পর পর গোসল করলে শরীর পবিত্র থাকলে শুধু অজু করে নামাজ আদায় করা যাবে। শীতকালে গোসল না করা নামাজ আদায়ে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে না। শরীর পবিত্র থাকলে গোসল না করলেও নামাজ হয়ে যাবে।

তবে কারো ওপর যদি গোসল ফরজ হয় তাহলে তাকে অবশ্যই গোসলের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করে নামাজ আদায় করতে হবে। শুধু শীতের অজুহাতে গোসল ছাড়া নামাজ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই।

শীতের কারণে গোসল করতে না পারাকে নামাজ ত্যাগের বৈধ কারণ হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। তবে যদি পানি ব্যবহারে বাস্তবিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, এমনকি গরম পানি ব্যবহারেও যদি সমস্যা হয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে যতটুকু অংশ পানি দিয়ে ধোয়া সম্ভব, তা ধুয়ে বাকি অংশের জন্য তায়াম্মুম করার সুযোগ রয়েছে।

মনে রাখতে হবে, ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ছেড়ে দেওয়া ইসলামে অত্যন্ত গুরুতর গুনাহ। বরং কিছু আলেমের মতে, জেনে-বুঝে নামাজ ত্যাগ করা ঈমানের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির বিষয়। তাই প্রথম ও প্রধান করণীয় হলো আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে তাওবা করা এবং ভবিষ্যতে নামাজে অবহেলা না করার দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেওয়া।

মনে রাখুন, শীত, ব্যস্ততা কিংবা শারীরিক কষ্ট, সব পরিস্থিতির জন্যই ইসলামে তায়াম্মুম এবং বিকল্প ব্যবস্থা আছে। তাই শীতের অজুহাতে নামাজ ত্যাগ না করে শরিয়তের নির্দেশিত সহজ সমাধান গ্রহণ করা সঠিক পথ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow