শীতে ত্বক কেন চুলকায়
শীত এলেই অনেকের ত্বকে অস্বস্তি শুরু হয়। চুলকানি, শুষ্কতা আর খসখসে ভাব যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়। ঠান্ডা আবহাওয়া, বাইরে শুষ্ক হাওয়া আর ঘরের ভেতরে হিটার বা এসির ব্যবহার—সব মিলিয়ে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা দ্রুত কমে যায়।
এর ফলেই দেখা দেয় শীতজনিত ত্বকের চুলকানি। যদিও এটি গুরুতর কোনো রোগ নয়, তবে অবহেলা করলে দৈনন্দিন জীবনে বেশ বিরক্তির কারণ হতে পারে। শীতকালীন ত্বকের চুলকানি আসলে কোনো সংক্রমণ বা সাধারণ র্যাশ নয়।
ঠান্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ত্বকে যে প্রদাহ তৈরি হয়, সেটাই এই সমস্যার মূল কারণ। শীতে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকায় ত্বকের উপরের স্তর থেকে পানি দ্রুত শুকিয়ে যায়। ফলে ত্বক হয়ে পড়ে রুক্ষ, টানটান এবং চুলকানিপ্রবণ।
লক্ষণ
শীতজনিত ত্বকের চুলকানিতে সাধারণত যে লক্ষণগুলো দেখা যায়।
- ত্বক খুব শুষ্ক হয়ে যাওয়া
- হালকা লালচে ভাব
- খসখসে বা আঁশের মতো চামড়া ওঠা
- চুলকানি
- ত্বকে ছোট ছোট ফাটল, কখনো রক্তপাত
এই সমস্যা বেশি দেখা যায় পা, হাঁটুর আশপাশ, উরু, গোড়ালি ও পায়ের পাতায়। তুলনামূলকভাবে হাত, মুখ বা মাথার ত্বকে কম হয়।
কারা বেশি ঝুঁকিতে?
সব বয়সের মানুষেরই এই সমস্য
শীত এলেই অনেকের ত্বকে অস্বস্তি শুরু হয়। চুলকানি, শুষ্কতা আর খসখসে ভাব যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়। ঠান্ডা আবহাওয়া, বাইরে শুষ্ক হাওয়া আর ঘরের ভেতরে হিটার বা এসির ব্যবহার—সব মিলিয়ে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা দ্রুত কমে যায়।
এর ফলেই দেখা দেয় শীতজনিত ত্বকের চুলকানি। যদিও এটি গুরুতর কোনো রোগ নয়, তবে অবহেলা করলে দৈনন্দিন জীবনে বেশ বিরক্তির কারণ হতে পারে। শীতকালীন ত্বকের চুলকানি আসলে কোনো সংক্রমণ বা সাধারণ র্যাশ নয়।
ঠান্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ত্বকে যে প্রদাহ তৈরি হয়, সেটাই এই সমস্যার মূল কারণ। শীতে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকায় ত্বকের উপরের স্তর থেকে পানি দ্রুত শুকিয়ে যায়। ফলে ত্বক হয়ে পড়ে রুক্ষ, টানটান এবং চুলকানিপ্রবণ।
লক্ষণ
শীতজনিত ত্বকের চুলকানিতে সাধারণত যে লক্ষণগুলো দেখা যায়।
- ত্বক খুব শুষ্ক হয়ে যাওয়া
- হালকা লালচে ভাব
- খসখসে বা আঁশের মতো চামড়া ওঠা
- চুলকানি
- ত্বকে ছোট ছোট ফাটল, কখনো রক্তপাত
এই সমস্যা বেশি দেখা যায় পা, হাঁটুর আশপাশ, উরু, গোড়ালি ও পায়ের পাতায়। তুলনামূলকভাবে হাত, মুখ বা মাথার ত্বকে কম হয়।
কারা বেশি ঝুঁকিতে?
সব বয়সের মানুষেরই এই সমস্যা হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি থাকে। বয়স্কদের ঝুঁকি বেশি, কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে ত্বক পাতলা ও শুষ্ক হয়ে যায়। এ ছাড়া যাদের ত্বক এমনিতেই শুষ্ক বা যাদের একজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো ত্বকের সমস্যা আছে।
কেন শীতে সমস্যা বাড়ে?
শীতে অনেকেই খুব গরম পানিতে দীর্ঘ সময় ধরে গোসল করেন। এতে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে যায় এবং শুষ্কতা আরও বেড়ে যায়। এ ছাড়া সুগন্ধিযুক্ত সাবান, কেমিক্যালযুক্ত বডি ওয়াশ বা ডিটারজেন্ট ত্বকের ক্ষতি করে। ঘরের ভেতরে এসি বা হিটারের শুষ্ক বাতাসও ত্বককে আরও রুক্ষ করে তোলে।
প্রতিরোধই সবচেয়ে ভালো উপায়
শীতজনিত ত্বকের চুলকানি এড়াতে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা সবচেয়ে জরুরি। কিছু সহজ অভ্যাসেই এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
- দিনে কয়েকবার ঘন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন
- গোসলের পরপরই ময়েশ্চারাইজার লাগান
- খুব গরম পানির বদলে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন
- গোসল ৫ মিনিটের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করুন
- বাইরে বের হলে হাত-পা ভালোভাবে ঢেকে রাখুন
- রাতে ঘরে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে বাতাসে আর্দ্রতা থাকে
শীতকালে ত্বকের চুলকানি খুবই সাধারণ একটি সমস্যা এবং আবহাওয়া বদলালে অনেক সময় নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে যদি প্রতি বছর একই সমস্যায় ভোগেন, তাহলে আগেভাগেই ত্বকের যত্ন নেওয়া জরুরি। নিয়মিত ময়েশ্চারাইজিং, সঠিক গোসলের অভ্যাস আর একটু সচেতনতা থাকলেই শীতকাল কাটতে পারে অনেক বেশি আরামদায়ক, চুলকানি আর অস্বস্তি ছাড়াই।
সূত্র: ভেরি ওয়েল হেলথ