শীতের রুক্ষতায় মধুর মোলায়েম ছোঁয়া
শীত এলেই ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা যেন কোথায় হারিয়ে যায়। ঠান্ডা বাতাস আর শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, খসখসে ও প্রাণহীন। এমন সময়ে বাড়তি যত্ন না নিলে ত্বকের সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। ঠিক তখনই প্রাকৃতিক সমাধান হিসেবে কাজে আসে মধু। আর্দ্রতা ধরে রাখা থেকে শুরু করে ত্বককে নরম ও মসৃণ করে তুলতে মধুর ভূমিকা অনন্য। শীতের রুক্ষতায় তাই মধুর মোলায়েম ছোঁয়া হতে পারে ত্বকচর্চার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায়। মধুতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের ব্রণ কমাতে এবং বয়সের আগাম ছাপ ধীর করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এর প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটিং ক্ষমতা ত্বকের ওপর জমে থাকা মৃত কোষ দূর করে, ফলে ত্বক দেখায় আরও পরিষ্কার ও প্রাণবন্ত। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের হারানো উজ্জ্বলতাও ধীরে ধীরে ফিরে আসে। মধু দিয়ে খুব সহজেই ঘরে বসে বানানো যায় নানা ধরনের ত্বকবান্ধব ফেসপ্যাক। চলুন জেনে নেই কিভাবে বানাবেন সেই ফেসপ্যাক- দই ও মধুর প্যাক: এক চা–চামচ টক দইয়ের সঙ্গে এক চা–চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে ত্বক হবে মসৃণ ও উজ্জ্বল। মুলতানি মাটি ও মধুর প্যাক: এক চা–চামচ মুলতানি মাটির
শীত এলেই ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা যেন কোথায় হারিয়ে যায়। ঠান্ডা বাতাস আর শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, খসখসে ও প্রাণহীন। এমন সময়ে বাড়তি যত্ন না নিলে ত্বকের সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। ঠিক তখনই প্রাকৃতিক সমাধান হিসেবে কাজে আসে মধু। আর্দ্রতা ধরে রাখা থেকে শুরু করে ত্বককে নরম ও মসৃণ করে তুলতে মধুর ভূমিকা অনন্য। শীতের রুক্ষতায় তাই মধুর মোলায়েম ছোঁয়া হতে পারে ত্বকচর্চার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায়।
মধুতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের ব্রণ কমাতে এবং বয়সের আগাম ছাপ ধীর করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এর প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটিং ক্ষমতা ত্বকের ওপর জমে থাকা মৃত কোষ দূর করে, ফলে ত্বক দেখায় আরও পরিষ্কার ও প্রাণবন্ত। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের হারানো উজ্জ্বলতাও ধীরে ধীরে ফিরে আসে।
মধু দিয়ে খুব সহজেই ঘরে বসে বানানো যায় নানা ধরনের ত্বকবান্ধব ফেসপ্যাক। চলুন জেনে নেই কিভাবে বানাবেন সেই ফেসপ্যাক-
দই ও মধুর প্যাক: এক চা–চামচ টক দইয়ের সঙ্গে এক চা–চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে ত্বক হবে মসৃণ ও উজ্জ্বল।
মুলতানি মাটি ও মধুর প্যাক: এক চা–চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে এক চা–চামচ মধু মিশিয়ে তাতে সামান্য গোলাপজল যোগ করুন। মুখে মেখে ১০–১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক মুখের টি–জোনের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব কমিয়ে ত্বককে টানটান রাখতে সাহায্য করে।
মধু ও লেবুর রস: এক চা–চামচ মধুর সঙ্গে ২–৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগান। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের দাগ হালকা হতে পারে।
আরও পড়ুন:
- রুমিন ফারহানার মতো চোখে কাজল দেবেন যেভাবে
- শীতের রাতে চুলকানি বাড়ে কেন? জানুন সমাধান
- রোজার মতো চেহারা সতেজ রাখতে যা করবেন
অ্যালোভেরা ও মধুর প্যাক: শুষ্ক ও প্রাণহীন ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে এক চা–চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে এক চা–চামচ মধু মিশিয়ে নিন। মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।
ওটস ও মধুর স্ক্রাব: এক চা–চামচ ওটসগুঁড়া, এক চা–চামচ মধু ও অল্প পানি মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করুন। মুখ ভিজিয়ে নিয়ে চক্রাকারে আলতোভাবে স্ক্রাব করুন। ৪–৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে নরম ও কোমল করে তোলে। মুখ ছাড়াও হাত–পায়ের ত্বকে এটি ব্যবহার করা যায়।
দুধ ও মধুর প্যাক: এক চা–চামচ দুধ ও এক চা–চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেললে শীতের রুক্ষ ত্বক নরম হয় এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসে।
মধু ব্যবহারে যেসব বিষয় মনে রাখবেন
- সপ্তাহে ২–৩ বার যেকোনো একটি প্যাক ব্যবহার করাই যথেষ্ট।
- প্যাক লাগানোর আগে অবশ্যই ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন।
- সাধারণত ১৫–২০ মিনিটের বেশি প্যাক মুখে রাখা উচিত নয়।
- নতুন কোনো উপাদান ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া নিরাপদ।
- প্যাক ধোয়ার পর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে ভুলবেন না।
শীতের রুক্ষতা কাটিয়ে ত্বককে নরম, সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে নিয়মিত রূপচর্চায় মধু হতে পারে আপনার নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক সঙ্গী।
জেএস/
What's Your Reaction?