শীতের সকালে নারীকে খুঁটিতে বেঁধে পানি ঢেলে নির্যাতন
শীতের সকালে রাজধানীর গুলশানে চুরির অভিযোগ তুলে এক নারীকে খুঁটিতে বেঁধে পানি ঢেলে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে গুলশান থানাধীন নদ্দা এলাকার মোড়ল বাজারে অবস্থিত মারকাযুত তা’লীম আল-ইসলামী মাদ্রাসার সামনে ঘটনাটি ঘটে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, শীতের পোশাক পরা এক নারীকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। দুই ব্যক্তি ছোট বালতি ও মগ দিয়ে তার গায়ে পানি ঢালছেন। পানির ঝটকায় নারীটি যে কষ্ট পাচ্ছেন, তা তার অভিব্যক্তিতে স্পষ্ট। এ সময় কয়েকজন দাঁড়িয়ে ঘটনাটি দেখছেন এবং একজন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছেন। নির্যাতনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মুখে হাসিও দেখা যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সেদিন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে মাদ্রাসার দুই শিশু শিক্ষার্থী দেখতে পায়, ওই নারী মাদ্রাসার চারতলায় লোকমান নামের এক শিক্ষকের কক্ষে ঝুলিয়ে রাখা একটি পাঞ্জাবির পকেটে হাত দিচ্ছেন। বিষয়টি দেখে তারা চিৎকার করলে পাশের কক্ষ থেকে একরাম নামের আরেক শিক্ষক বেরিয়ে এসে ওই নারীকে আটক করেন। অভিযুক্ত নারীকে পুলিশে সোপর্দ না করে তারা নিজেরাই শাস্তি দেওয়ার স
শীতের সকালে রাজধানীর গুলশানে চুরির অভিযোগ তুলে এক নারীকে খুঁটিতে বেঁধে পানি ঢেলে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে গুলশান থানাধীন নদ্দা এলাকার মোড়ল বাজারে অবস্থিত মারকাযুত তা’লীম আল-ইসলামী মাদ্রাসার সামনে ঘটনাটি ঘটে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, শীতের পোশাক পরা এক নারীকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। দুই ব্যক্তি ছোট বালতি ও মগ দিয়ে তার গায়ে পানি ঢালছেন। পানির ঝটকায় নারীটি যে কষ্ট পাচ্ছেন, তা তার অভিব্যক্তিতে স্পষ্ট। এ সময় কয়েকজন দাঁড়িয়ে ঘটনাটি দেখছেন এবং একজন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছেন। নির্যাতনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মুখে হাসিও দেখা যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সেদিন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে মাদ্রাসার দুই শিশু শিক্ষার্থী দেখতে পায়, ওই নারী মাদ্রাসার চারতলায় লোকমান নামের এক শিক্ষকের কক্ষে ঝুলিয়ে রাখা একটি পাঞ্জাবির পকেটে হাত দিচ্ছেন। বিষয়টি দেখে তারা চিৎকার করলে পাশের কক্ষ থেকে একরাম নামের আরেক শিক্ষক বেরিয়ে এসে ওই নারীকে আটক করেন। অভিযুক্ত নারীকে পুলিশে সোপর্দ না করে তারা নিজেরাই শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শাস্তির অংশ হিসেবে নারীকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে তার শরীরে পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয়। পরে কয়েকজন তাকে উত্তরাগামী একটি বাসে তুলে দেন।
এদিকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির মাধ্যমে গত শনিবার রাতে গুলশান থানা-পুলিশ নির্যাতনে সম্পৃক্ততার অভিযোগে পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন মাদ্রাসার দুই শিক্ষক লোকমান ও একরাম এবং তিন শিক্ষার্থী। তবে নির্যাতনের শিকার নারীকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান বলেন, ভাইরাল ভিডিওটি পুলিশের নজরে আসার পরপরই অভিযান চালানো হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় ঘটনাস্থল শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।
তিনি জানান, ভুক্তভোগী নারীকে শনাক্ত ও খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তাকে পাওয়া না গেলে পুলিশ হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।