শুটিং ফ্লোরে বাড়তি খরচ নিয়ে যা বললেন ভিকি-কৃতি
বলিউডে ছবি বানানো এখন শুধু ক্যামেরা-লাইট-অ্যাকশনের খেলায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা রূপ নিয়েছে বাজেটের ভয়ংকর এক যুদ্ধক্ষেত্রে। নির্ধারিত খরচের গণ্ডি পেরিয়ে মুহূর্তেই যখন বাজেট ফুলে-ফেঁপে ওঠে, তখনই শোনা যায় কটাক্ষ—‘খাজনার থেকে বাজনা বেশি’। তারকাদের বিলাসী আবদার, শুটিং ফ্লোরের অপ্রত্যাশিত চাহিদা আর বাড়তি সুযোগ-সুবিধার জেরে প্রযোজকদের মাথায় হাত। এই উত্তাল পরিস্থিতিতেই অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন বি-টাউনের জনপ্রিয় তারকা ভিকি কৌশল ও কৃতি স্যানন, জানালেন বাজেট বাড়ার নেপথ্যের অজানা গল্প।
সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে দুজনকে প্রশ্ন করা হয় এই বিষয়ে।
এ প্রসঙ্গে প্রথমে ভিকি বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা যেটা শুনছি সেটা আমরা এখনো দেখিনি। তবে একেবারে এই অভিযোগ উড়িয়েও দিছি না। এখনো সেভাবে বিষয়টা আমার চোখে পড়েনি। আমি এটা নিয়ে শুধু শুনেছি। তবে এটাই বলার যে, সত্যিই যদি এভাবে অনর্থক বাজেট বেড়ে যাওয়ার ফলে কোনো ছবি ও তার প্রযোজক ক্ষতিগ্রস্ত হন তা নিয়ে সত্যিই ভাবা উচিত।’
অন্যদিকে কৃতি বলেন, ’কিছু সুবিধা শুটিংফ্লোরে থাকলে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সুবিধা হয়। যেমন ধরুন সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা অবধি যদি কারও শুটি
বলিউডে ছবি বানানো এখন শুধু ক্যামেরা-লাইট-অ্যাকশনের খেলায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা রূপ নিয়েছে বাজেটের ভয়ংকর এক যুদ্ধক্ষেত্রে। নির্ধারিত খরচের গণ্ডি পেরিয়ে মুহূর্তেই যখন বাজেট ফুলে-ফেঁপে ওঠে, তখনই শোনা যায় কটাক্ষ—‘খাজনার থেকে বাজনা বেশি’। তারকাদের বিলাসী আবদার, শুটিং ফ্লোরের অপ্রত্যাশিত চাহিদা আর বাড়তি সুযোগ-সুবিধার জেরে প্রযোজকদের মাথায় হাত। এই উত্তাল পরিস্থিতিতেই অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন বি-টাউনের জনপ্রিয় তারকা ভিকি কৌশল ও কৃতি স্যানন, জানালেন বাজেট বাড়ার নেপথ্যের অজানা গল্প।
সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে দুজনকে প্রশ্ন করা হয় এই বিষয়ে।
এ প্রসঙ্গে প্রথমে ভিকি বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা যেটা শুনছি সেটা আমরা এখনো দেখিনি। তবে একেবারে এই অভিযোগ উড়িয়েও দিছি না। এখনো সেভাবে বিষয়টা আমার চোখে পড়েনি। আমি এটা নিয়ে শুধু শুনেছি। তবে এটাই বলার যে, সত্যিই যদি এভাবে অনর্থক বাজেট বেড়ে যাওয়ার ফলে কোনো ছবি ও তার প্রযোজক ক্ষতিগ্রস্ত হন তা নিয়ে সত্যিই ভাবা উচিত।’
অন্যদিকে কৃতি বলেন, ’কিছু সুবিধা শুটিংফ্লোরে থাকলে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সুবিধা হয়। যেমন ধরুন সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা অবধি যদি কারও শুটিংয়ের শিডিউল রয়েছে। অথচ তাকে বিকেলে জিম মিস করলে চলবে না। শুটিংয়ের ফাঁকে জিম করার প্রয়োজনেই সেই ব্যবস্থা থাকলে বাইরে যেতে হয় না। ফ্লোরেই সেই সুবিধা পাওয়া যায়। আর এই বিষয়টা সকল প্রযোজক বোঝেন বলেই আমি মনে করি।‘
এদিকে সিনে-বিশ্লেষক কোমল নাহতা বেশ কিছু মাস আগে এই নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। তুলে ধরেছিলেন যে তারকারা কীভাবে অতিরিক্ত খরচ করেন ছবির শুটিং ফ্লোরে। শুধু তাই নয়, এই নিয়ে মুখ খুলেছিলেন বলিউডের মি.পারফেকশনিস্ট আমির খানও।
আমির বলেন, 'এই সময়ের তারকাদের চাহিদার শেষ নেই। কেন ছবি প্রযোজনা করা ছাড়া আরও কোনও বিষয় একজন প্রযোজক দেখবেন? তা তো দেখা তার কাজ নয়। এমনকি ছবির অভিনেতার কোনো বাড়তি বিলের খরচ মেটানোর কথাও প্রযোজকের নয়।
তিনি আরও বলেন, বলতে দ্বিধা নেই এখনকার তারকারা শুটিং ফ্লোরে এসে অনেক কিছুই দাবি করেন। তাদের শুটিং ফ্লোরে লাইভ কিচেন চাই, জিম চাই। আমনকি তাদের স্পট বয় থেকে গাড়ির চালকের টাকাও প্রযোজক মেটান।‘
সব মিলিয়ে বলিউডের বাজেট-বিতর্কে নতুন করে আগুনে ঘি ঢালল ভিকি কৌশল ও কৃতি স্যাননের মন্তব্য। তারকাদের দায়বদ্ধতা, প্রযোজকদের চাপ আর বাণিজ্যিক বাস্তবতার টানাপোড়েনে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে এই আলোচনা, সে প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ইন্ডাস্ট্রি জুড়ে।
বাজেটের এই লাগামছাড়া দৌড় থামাতে আদৌ কি বদল আসবে, নাকি ‘খাজনার থেকে বাজনা বেশি’ কথাটাই ভবিষ্যতেও বলিউডের অঘোষিত সত্য হয়ে থাকবে, সেদিকেই তাকিয়ে এখন দর্শক থেকে নির্মাতা সবাই।