শুভসন্ধ্যা সমুদ্রসৈকতে নিখোঁজ তরুণের মরদেহ উদ্ধার
বরগুনা তালতলীর শুভসন্ধ্যা সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ আসাদুল্লাহ নামের তরুণের মরদেহ তিন দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় সমুদ্রসৈকতের তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আসাদুল্লাহ (১৮) আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি গ্রামের মুসা মিয়ার ছেলে। তিনি তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ঠংপাড়া এলাকায় তার ভগ্নিপতি শাওন তালুকদারের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। জানা গেছে, শখের বশে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে দুপুরে আসাদুল্লাহ, ভগ্নিপতি শাওনসহ পাঁচজন শুভসন্ধ্যা সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে সাগরে তীব্র ঢেউ ও প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে সাইদুল নিখোঁজ হন। তার সঙ্গে থাকা অন্যরা নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও সাইদুলকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস, থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত হন। পরে উদ্ধার অভিযান শুরু করে প্রশাসন। প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জেলে ও এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যান; কিন্তু মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি। পুলিশ জানায়, তিন দিন পর তার মরদেহ শুভসন্ধ্যা সমুদ্রসৈকতের ডিসি পয়েন্ট
বরগুনা তালতলীর শুভসন্ধ্যা সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ আসাদুল্লাহ নামের তরুণের মরদেহ তিন দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় সমুদ্রসৈকতের তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আসাদুল্লাহ (১৮) আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি গ্রামের মুসা মিয়ার ছেলে। তিনি তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ঠংপাড়া এলাকায় তার ভগ্নিপতি শাওন তালুকদারের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন।
জানা গেছে, শখের বশে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে দুপুরে আসাদুল্লাহ, ভগ্নিপতি শাওনসহ পাঁচজন শুভসন্ধ্যা সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে সাগরে তীব্র ঢেউ ও প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে সাইদুল নিখোঁজ হন। তার সঙ্গে থাকা অন্যরা নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও সাইদুলকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস, থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত হন। পরে উদ্ধার অভিযান শুরু করে প্রশাসন। প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জেলে ও এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যান; কিন্তু মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি।
পুলিশ জানায়, তিন দিন পর তার মরদেহ শুভসন্ধ্যা সমুদ্রসৈকতের ডিসি পয়েন্ট এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। তার অর্ধগলিত মরদেহটির বাঁ হাত নেই, শরীরের অনেক অংশের মাংস নেই। তার মামা তাকে তার শরীরের গঠন, গেঞ্জি ও হাত পায়ের নখ দেখে শনাক্ত করেন।
তালতলী থানার ওসি মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ হওয়া আসাদুল্লাহর। শনাক্ত করেছেন তার পরিবার। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি না থাকায় সকল আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
What's Your Reaction?