শেরপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির জয়জয়কার
শেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের জয়জয়কার হয়েছে। ১৩ সদস্যের নির্বাহী পরিষদের সবাই এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এতে সভাপতি হয়েছেন জেলা বিএনপির (স্থগিত) কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা অ্যাডভোকেট এএইচএম নুরে আলম হীরা।
রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন বারের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও পিপি এড. আব্দুল মান্নান।
অন্য পদে বিজয়ীরা হলেন, সহ-সভাপতি মো. আদিলুজ্জামান আদিল ও মো. ফরহাদ আলী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমীন ও মো. সাব্বির হাসান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহরিয়ার হোসেন আরিফ, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ নূর, অডিটর মোস্তফা আশেকুজ্জামান বুলবুল। এছাড়া চারজন নির্বাহী সদস্যের মধ্যে রয়েছেন, রাকিবুল হাসান, মো. আব্দুস সবুর, এ ওয়াহিদ রাকু ও তাহমিনা আক্তার।
উল্লেখ্য, নির্বাচনের তফশিল অনুযায়ী ২৯ মার্চ মনোনয়নপত্র দাখিল ও বাছাইয়ের শেষদিনে ১৩টি পদের প্রতিটিতে একটি করে মনোনয়ন পত্র জমা পড়ে এবং সবাই বাছাইয়ে বৈধ হিসেবে বিবেচিত হন। ফলে আগামী ৬ এপ্রি
শেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের জয়জয়কার হয়েছে। ১৩ সদস্যের নির্বাহী পরিষদের সবাই এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এতে সভাপতি হয়েছেন জেলা বিএনপির (স্থগিত) কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা অ্যাডভোকেট এএইচএম নুরে আলম হীরা।
রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন বারের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও পিপি এড. আব্দুল মান্নান।
অন্য পদে বিজয়ীরা হলেন, সহ-সভাপতি মো. আদিলুজ্জামান আদিল ও মো. ফরহাদ আলী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমীন ও মো. সাব্বির হাসান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহরিয়ার হোসেন আরিফ, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ নূর, অডিটর মোস্তফা আশেকুজ্জামান বুলবুল। এছাড়া চারজন নির্বাহী সদস্যের মধ্যে রয়েছেন, রাকিবুল হাসান, মো. আব্দুস সবুর, এ ওয়াহিদ রাকু ও তাহমিনা আক্তার।
উল্লেখ্য, নির্বাচনের তফশিল অনুযায়ী ২৯ মার্চ মনোনয়নপত্র দাখিল ও বাছাইয়ের শেষদিনে ১৩টি পদের প্রতিটিতে একটি করে মনোনয়ন পত্র জমা পড়ে এবং সবাই বাছাইয়ে বৈধ হিসেবে বিবেচিত হন। ফলে আগামী ৬ এপ্রিল নির্বাচনে ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারিত থাকলেও কোনো পদে একাধিক প্রার্থী না থাকায় বেসরকারিভাবে ওই ১৩জনকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।
তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান, নির্বাচন কমিশন সদস্য জাহিদুল হক আধার ও আবু হেনা খন্দকার মমতাজুল করিম।
এছাড়াও ওই সময় জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও জেলা বিএনপির স্থগিত কমিটির সদস্য সচিব এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশ, জেলা আইনজীবী সমিতির বিদায়ী সভাপতি অ্যাডভোকেট এমকে মুরাদুজ্জামান, বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছামিউল হক আতাহার উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান জানান, রোববার মনোনয়নপত্র দাখিল, বাছাই ও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিনে সভাপতি ও সম্পাদকসহ ১৩টি পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। এসময় আর কোনো মনোনয়নপত্র জমা না পড়ায় বিএনপির সমর্থিত সকল প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।