শেরপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যা নাকি আত্মহত্যা

বগুড়ার শেরপুরে রহিমা খাতুন নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে চরম রহস্য ও ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন। আজ রবিবার সকাল ১১টার দিকে নিহতের লাশ সুঘাট ইউনিয়নের সাতারা গ্রামের বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নিহত রহিমা খাতুন সাতারা স্কুলপাড়া এলাকার সাখাওয়াত হোসেনের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫ বছর আগে টাঙ্গাইল এলাকার শামীম আহম্মেদের সঙ্গে রহিমা খাতুনের প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ ও দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর মধ্যেই হঠাৎ করে গত দুই মাস আগে শামীম আরেকটি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এই নিয়ে রহিমা ও শামীমের মধ্যকার সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটে। পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়, গত শনিবার (২৭ জুন) রাত ১০টার দিকে স্বামী শামীম ঢাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকা রহিমার কাছে যান। এরপর রাত সাড়ে ১২টার দিকে শামীম রহিমার বাবাকে মোবাইল ফোনে জানান যে, রহিমা গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। একই সঙ্গে শামীম নিহতের পরিবারকে লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসতে বলে। আজ রবিবার সকালে লাশ গ্রা

শেরপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যা নাকি আত্মহত্যা

বগুড়ার শেরপুরে রহিমা খাতুন নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে চরম রহস্য ও ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন। আজ রবিবার সকাল ১১টার দিকে নিহতের লাশ সুঘাট ইউনিয়নের সাতারা গ্রামের বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

নিহত রহিমা খাতুন সাতারা স্কুলপাড়া এলাকার সাখাওয়াত হোসেনের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫ বছর আগে টাঙ্গাইল এলাকার শামীম আহম্মেদের সঙ্গে রহিমা খাতুনের প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ ও দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর মধ্যেই হঠাৎ করে গত দুই মাস আগে শামীম আরেকটি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এই নিয়ে রহিমা ও শামীমের মধ্যকার সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটে।

পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়, গত শনিবার (২৭ জুন) রাত ১০টার দিকে স্বামী শামীম ঢাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকা রহিমার কাছে যান। এরপর রাত সাড়ে ১২টার দিকে শামীম রহিমার বাবাকে মোবাইল ফোনে জানান যে, রহিমা গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। একই সঙ্গে শামীম নিহতের পরিবারকে লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসতে বলে। আজ রবিবার সকালে লাশ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্থানীয় এলাকাবাসী ও স্বজনরা মরদেহের গলায় রশির দাগ এবং শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। ওড়না দিয়ে ফাঁস দেওয়ার কথা বলা হলেও গলায় রশির স্পষ্ট দাগ থাকায় এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। এ নিয়ে এলাকায় লাশ দাফন করা না-করা নিয়ে এক জটিল ও রহস্যজনক পরিস্থিতির (ধোঁয়াশা) সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের স্পষ্ট অভিযোগ রহিমাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হচ্ছে। এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মইনুদ্দীন জানান, ঘটনাটি নিয়ে ধোঁয়াশা থাকায় বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্তের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow