শেরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে হামলা আহত ১, নারীকে হেনেস্তা
শেরপুর বগুড়ার শেরপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক যুবকের ওপর হামলা চালিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে। হামলায় গুরুতর আহত জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) ছাড়াও তাকে বাঁচাতে গিয়ে আরও দুই যাত্রী হেনস্তার শিকার হয়েছেন। গত শুক্রবার (২৬ জুন) রাত ১১টার দিকে উপজেলার বিরইল এলাকার ‘বিসমিল্লাহ হোটেল’-এর সামনে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আজ শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে ভুক্তভোগী পরিবার শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। আহত জাহাঙ্গীর আলম ওই এলাকার গাজীউর রহমানের ছেলে। অভিযুক্তরা হলেন বিরইল গ্রামের দুদু সরকারের ছেলে আঃ মজিদ এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) জাবেদ। স্থানীয় সূত্র ও থানায় দেওয়া অভিযোগ থেকে জানা যায়, বিরইল গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের সাথে ইউপি সদস্য জাবেদ ও আঃ মজিদের পূর্ব থেকে শত্রুতা চলছিল। গত শুক্রবার রাতে জাহাঙ্গীর বিরইল বিসমিল্লাহ হোটেলের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে জাবেদ মেম্বার ও মজিদ অতর্কিতে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে বেধড়ক মারধর শুরু করলে একপর্যায়ে জাহাঙ্গীরের মাথা ফেটে যায় এবং তিনি রক্তাক্ত জখম হন। ঘটনার সময় আহত জাহাঙ
শেরপুর বগুড়ার শেরপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক যুবকের ওপর হামলা চালিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে। হামলায় গুরুতর আহত জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) ছাড়াও তাকে বাঁচাতে গিয়ে আরও দুই যাত্রী হেনস্তার শিকার হয়েছেন।
গত শুক্রবার (২৬ জুন) রাত ১১টার দিকে উপজেলার বিরইল এলাকার ‘বিসমিল্লাহ হোটেল’-এর সামনে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আজ শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে ভুক্তভোগী পরিবার শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। আহত জাহাঙ্গীর আলম ওই এলাকার গাজীউর রহমানের ছেলে। অভিযুক্তরা হলেন বিরইল গ্রামের দুদু সরকারের ছেলে আঃ মজিদ এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) জাবেদ। স্থানীয় সূত্র ও থানায় দেওয়া অভিযোগ থেকে জানা যায়, বিরইল গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের সাথে ইউপি সদস্য জাবেদ ও আঃ মজিদের পূর্ব থেকে শত্রুতা চলছিল। গত শুক্রবার রাতে জাহাঙ্গীর বিরইল বিসমিল্লাহ হোটেলের সামনে অবস্থান করছিলেন।
এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে জাবেদ মেম্বার ও মজিদ অতর্কিতে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে বেধড়ক মারধর শুরু করলে একপর্যায়ে জাহাঙ্গীরের মাথা ফেটে যায় এবং তিনি রক্তাক্ত জখম হন। ঘটনার সময় আহত জাহাঙ্গীরর গাড়ির যাত্রী অন্তর হোসেন সাদ্দাম ও তার স্ত্রী পাপিয়া খাতুন জাহাঙ্গীরকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা এ সময় ওই দম্পতিকেও শারীরিকভাবে হেনস্তা ও লাঞ্ছিত করে। হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য জাবেদ বলেন, আমি কোনো হামলা করিনি। তারা মারামারি করছিল ঠেকাতে গিয়ে জাহাঙ্গীর নিজেই একটি চেয়ার দিয়ে মারতে এসেছিলেন। উল্টো সেই চেয়ারের আঘাতেই তার নিজের মাথা ফেটে গেছে। এছাড়া মজিদও এই ঘটনায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শেরপুর থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন বলেন, বিরইল এলাকার মারধরের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?