টানা ৯ দিন ঈদের ছুটি শেষে রোববার (৬ এপ্রিল) খুলছে দেশের সব সরকারি প্রতিষ্ঠান। কর্মস্থলে পৌঁছাতে সড়কে বেড়েছে যাত্রীদের উপস্থিতি।গণপরিবহনগুলোতে ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, শেরপুর থেকে ঢাকাগামী পরিবহনগুলো স্বল্প দূরত্বের যাত্রী তেমন নিচ্ছে না। নিলেও ভাড়া নিচ্ছে ঢাকার সমান। এজন্য স্বল্প দূরত্বের যাত্রীরা বিকল্প হিসেবে বেছে নিচ্ছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা। তবে ভাড়া দ্বিগুণ।
শনিবার (৫ এপ্রিল) শেরপুর শহরের থানামোড় সিএনজি স্ট্যান্ড ঘুরে দেখা যায়, শেরপুর থেকে ময়মনসিংহের সিএনজিচালিত অটোরিকশার নিয়মিত ভাড়া ১৫০ টাকা। অথচ এখন নিচ্ছে ৩০০ টাকা।
রুবিয়া পারভীন কনিকা নামের একজন যাত্রী বলেন, ‘আমি মাওনা যাবো। আগামীকাল আমাদের অফিস খোলা। এ সুযোগে যাত্রীদের ভিড় দেখেই সিএনজি চালকরা ভাড়া দ্বিগুণ নিচ্ছে। আমাদের কোনো উপায় নেই, কর্মস্থলে যেতেই হবে। ঈদের ষষ্ঠ দিনেও ভাড়া বেশি নেওয়া অযৌক্তিক।’
সিএনজি চালকরা বলছেন, শেরপুর থেকে ময়মনসিংহে যাওয়ার সময় যাত্রী পাওয়া যায়। কিন্তু আসার সময় যাত্রী না থাকায় খালি গাড়ি নিয়ে ফিরতে হয়। তাই বাধ্য হয়ে ভাড়া বাড়াতে হয়েছে।
এ বিষয়ে শেরপুর জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, ঈদের আগে ও পরে বাস এবং সিএনজি স্ট্যান্ডগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এসআর/জেআইএম