শেরপুরের হাটে চাহিদা বেশি মাঝারি গরুর

সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুর জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে কেনাবেচাও। তবে চাহিদা বেশি মাঝারি গরুর। এদিকে হাটে অনিয়ম, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ও জাল টাকার ব্যবহার রোধে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া ভারতীয় গরুর প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে জেলা পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। মঙ্গলবার (২৬ মে) জেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা যায়, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জেলার পশুর হাটগুলোতে বাড়ছে প্রাণচাঞ্চল্য। শেরপুরের বাইরে জামালপুরের ইসলামপুর, বকশিগঞ্জ ও ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা হতে প্রতিদিনই আসছে পশু। তবে হাটে পর্যাপ্ত পশু থাকলেও দাম তুঙ্গে বলে দাবি ক্রেতাদের। সামর্থ্যের মধ্যে অনেকে কিনে নিচ্ছেন পছন্দের পশু। কেউ আবার ঘুরপাক খাচ্ছেন অতিরিক্ত দামের গন্ডিতে। বিক্রেতা বলছেন, পুরোপুরি হাট জমলেও ক্রেতারা এখনো দেখাদেখির মধ্যে আছে। শেরপুরের নৌহাটা পৌর গরু মহিষ ও ছাগলের হাটে আসা বিক্রেতা ছাইফুল ইসলাম বলেন, খুদি, কুড়া, ভুসি, খড় সবকিছুর চড়া দাম। আর গরু দাম করে একেবারেই হিসেবের বাইরে। লোকসান দিয়ে ত বিক্রি করা যাবে না। একই কথা জানান অন্যান্য বিক্রেতারাও

শেরপুরের হাটে চাহিদা বেশি মাঝারি গরুর

সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুর জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে কেনাবেচাও। তবে চাহিদা বেশি মাঝারি গরুর।

এদিকে হাটে অনিয়ম, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ও জাল টাকার ব্যবহার রোধে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া ভারতীয় গরুর প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে জেলা পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

মঙ্গলবার (২৬ মে) জেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা যায়, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জেলার পশুর হাটগুলোতে বাড়ছে প্রাণচাঞ্চল্য। শেরপুরের বাইরে জামালপুরের ইসলামপুর, বকশিগঞ্জ ও ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা হতে প্রতিদিনই আসছে পশু। তবে হাটে পর্যাপ্ত পশু থাকলেও দাম তুঙ্গে বলে দাবি ক্রেতাদের। সামর্থ্যের মধ্যে অনেকে কিনে নিচ্ছেন পছন্দের পশু। কেউ আবার ঘুরপাক খাচ্ছেন অতিরিক্ত দামের গন্ডিতে।

বিক্রেতা বলছেন, পুরোপুরি হাট জমলেও ক্রেতারা এখনো দেখাদেখির মধ্যে আছে।

শেরপুরের নৌহাটা পৌর গরু মহিষ ও ছাগলের হাটে আসা বিক্রেতা ছাইফুল ইসলাম বলেন, খুদি, কুড়া, ভুসি, খড় সবকিছুর চড়া দাম। আর গরু দাম করে একেবারেই হিসেবের বাইরে। লোকসান দিয়ে ত বিক্রি করা যাবে না।

একই কথা জানান অন্যান্য বিক্রেতারাও। তারা জানান, এবার হিসাব মিলানো বড় কঠিন। তার মধ্যে যদি ভারতীয় গরু ঢুকে তাহলে সর্বনাশ। তাই প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ, সীমান্তে কড়া নজর রাখেন।

এদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের প্রধান ডাক্তার রেজুয়ানুল হক ভুঁইয়া বলেন, জেলায় এবার স্থায়ী ২০ হাট বসেছে। এবং প্রতিটি হাটেই আমাদের মেডিকেল টিম কাজ করছে। তাছাড়া জেলায় চাহিদা রয়েছে ৬২ হাজার কোরবানির পশুর আর জোগান রয়েছে প্রায় ৯৩ হাজার পশু।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভুঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, সীমান্তে গরুসহ অন্যান্য চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবির সঙ্গে জেলা পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছেন। সীমান্তে গরুর চোরাচালান শূন্য রাখা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বদ্ধপরিকর।

মো. নাঈম ইসলাম/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow