শেষ ষোলোয় রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা, ফিরছে নেশনস লিগের সেই ফাইনাল
শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চ, ভিএআরের নাটকীয় সিদ্ধান্ত আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নেতৃত্বে দারুণ প্রত্যাবর্তন— সব মিলিয়ে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল। এই জয়ে স্পেনের বিপক্ষে শেষ ষোলোর মহারণও নিশ্চিত হয়েছে, যা ফিরিয়ে আনছে গত বছরের উয়েফা নেশনস লিগ ফাইনালের স্মৃতি।
আগামী ৭ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মুখোমুখি হবে ইউরোপের দুই পরাশক্তি স্পেন ও পর্তুগাল। এর মধ্য দিয়ে শেষ ষোলোতেই পুনরাবৃত্তি হচ্ছে উয়েফা নেশনস লিগের ফাইনালের। গত বছরের ৮ জুন অ্যালিয়েঞ্জ এরেনায় অনুষ্ঠিত সেই ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে ২-২ গোলে ড্র করার পর পেনাল্টি শুটআউটে ৫-৪ ব্যবধানে জিতে শিরোপা জিতেছিল রোনালদোর পর্তুগাল। এবার সেই হারের প্রতিশোধ নিতে চাইবে স্পেন।
ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশের লড়াইয়ের ইতিহাসও বেশ সমৃদ্ধ। এখন পর্যন্ত ৪১ বার মুখোমুখি হয়েছে স্পেন ও পর্তুগাল। এর মধ্যে স্পেন জিতেছে ১৮টি ম্যাচ, পর্তুগালের জয় ৭টি এবং ড্র হয়েছে ১৬টি।
বিশ্বকাপে দুই দলের দেখা হয়েছে ছয়বার। ২০১৮ সালের আসরের গ্রুপ পর্বে রোনালদোর হ্যাটট্রিকে ৩-৩ গোলে ড্র করেছিল পর্তুগাল। বিশ্বমঞ্চে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ ১৯৩৪ স
শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চ, ভিএআরের নাটকীয় সিদ্ধান্ত আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নেতৃত্বে দারুণ প্রত্যাবর্তন— সব মিলিয়ে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল। এই জয়ে স্পেনের বিপক্ষে শেষ ষোলোর মহারণও নিশ্চিত হয়েছে, যা ফিরিয়ে আনছে গত বছরের উয়েফা নেশনস লিগ ফাইনালের স্মৃতি।
আগামী ৭ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মুখোমুখি হবে ইউরোপের দুই পরাশক্তি স্পেন ও পর্তুগাল। এর মধ্য দিয়ে শেষ ষোলোতেই পুনরাবৃত্তি হচ্ছে উয়েফা নেশনস লিগের ফাইনালের। গত বছরের ৮ জুন অ্যালিয়েঞ্জ এরেনায় অনুষ্ঠিত সেই ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে ২-২ গোলে ড্র করার পর পেনাল্টি শুটআউটে ৫-৪ ব্যবধানে জিতে শিরোপা জিতেছিল রোনালদোর পর্তুগাল। এবার সেই হারের প্রতিশোধ নিতে চাইবে স্পেন।
ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশের লড়াইয়ের ইতিহাসও বেশ সমৃদ্ধ। এখন পর্যন্ত ৪১ বার মুখোমুখি হয়েছে স্পেন ও পর্তুগাল। এর মধ্যে স্পেন জিতেছে ১৮টি ম্যাচ, পর্তুগালের জয় ৭টি এবং ড্র হয়েছে ১৬টি।
বিশ্বকাপে দুই দলের দেখা হয়েছে ছয়বার। ২০১৮ সালের আসরের গ্রুপ পর্বে রোনালদোর হ্যাটট্রিকে ৩-৩ গোলে ড্র করেছিল পর্তুগাল। বিশ্বমঞ্চে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ ১৯৩৪ সালে। সেবার ইসিদ্রো লাঙ্গারার পাঁচ গোলে ৯-০ ব্যবধানে পর্তুগালকে উড়িয়ে দেয় স্পেন। একই আসরে পরের ম্যাচেও ২-১ ব্যবধানে জয় পায় স্প্যানিয়ার্ডরা।
১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে ৫-১ গোলে হারের পর পরবর্তী ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করে পর্তুগাল। এরপর ২০১০ সালের বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতেও মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। সেই ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে জিতে পরবর্তীতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ৫৩তম মিনিটে পিছিয়ে পড়ার পর পর্তুগালের বিদায় শঙ্কাই জোরালো হয়ে উঠেছিল। তবে নিজেদের ওপর বিশ্বাস হারায়নি দলটি। ৬৮তম মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
ইনজুরি টাইম পর্যন্ত ১-১ সমতায় থাকায় ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে বলেই মনে হচ্ছিল। তবে ৯৪তম মিনিটে রামোসের দুর্দান্ত হেডারে আবারও এগিয়ে যায় পর্তুগাল। এরপর শেষ মুহূর্তে ক্রোয়েশিয়া বল জালে জড়ালেও ভিএআরে অফসাইড ধরা পড়ায় গোলটি বাতিল হয়। তাতেই নাটকীয় ২-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয় পর্তুগাল।