শৈত্যপ্রবাহে অসহায় দুবলার শুঁটকি পল্লীর জেলেরা

বঙ্গোপসাগরে প্রবল ঢেউ ও কনকনে ঠান্ডা বাতাসের কারণে মাছ ধরতে পারছেন না সুন্দরবনের দুবলারচরের শুঁটকি পল্লীর জেলেরা। টানা তিন দিন ধরে চলমান শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে সাগরে জাল ফেলতে না পেরে বহু জেলে ফিরে যাচ্ছেন আলোরকোলসহ দুবলার বিভিন্ন জেলে পল্লীতে। এতে শুঁটকি পল্লীর জেলেদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালেও মাছ ধরা বন্ধ করে অন্তত ১২টি জেলে নৌকা আলোরকোলে ফিরে আসে। সুন্দরবনের দুবলার আলোরকোল এলাকার রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি মোতাসিম ফরাজী বলেন, কনকনে ঠান্ডা বাতাস ও বায়ুতাড়িত প্রবল ঢেউয়ের কারণে বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলা যাচ্ছে না। ফলে জেলেরা মাছ না ধরেই শুঁটকি পল্লীতে ফিরে আসছেন। প্রচণ্ড শীতে জেলেদের অবস্থা খুবই শোচনীয় হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে বহু নৌকা সাগর থেকে ফিরে এসেছে। সুন্দরবনের শেলারচর এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মিঠু হাওলাদার বলেন, তীব্র শীত, ঠান্ডা বাতাস ও প্রবল ঢেউয়ের কারণে শেলারচরের জেলেরা সাগরে নামছেন না। ফলে মাছ সংগ্রহ ও বেচাকেনাও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। দুবলা ফিসারমেন গ্রুপের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামালউদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে দুবলার চরাঞ্চলে প্রব

শৈত্যপ্রবাহে অসহায় দুবলার শুঁটকি পল্লীর জেলেরা

বঙ্গোপসাগরে প্রবল ঢেউ ও কনকনে ঠান্ডা বাতাসের কারণে মাছ ধরতে পারছেন না সুন্দরবনের দুবলারচরের শুঁটকি পল্লীর জেলেরা। টানা তিন দিন ধরে চলমান শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে সাগরে জাল ফেলতে না পেরে বহু জেলে ফিরে যাচ্ছেন আলোরকোলসহ দুবলার বিভিন্ন জেলে পল্লীতে। এতে শুঁটকি পল্লীর জেলেদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালেও মাছ ধরা বন্ধ করে অন্তত ১২টি জেলে নৌকা আলোরকোলে ফিরে আসে।

সুন্দরবনের দুবলার আলোরকোল এলাকার রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি মোতাসিম ফরাজী বলেন, কনকনে ঠান্ডা বাতাস ও বায়ুতাড়িত প্রবল ঢেউয়ের কারণে বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলা যাচ্ছে না। ফলে জেলেরা মাছ না ধরেই শুঁটকি পল্লীতে ফিরে আসছেন। প্রচণ্ড শীতে জেলেদের অবস্থা খুবই শোচনীয় হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে বহু নৌকা সাগর থেকে ফিরে এসেছে।

সুন্দরবনের শেলারচর এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মিঠু হাওলাদার বলেন, তীব্র শীত, ঠান্ডা বাতাস ও প্রবল ঢেউয়ের কারণে শেলারচরের জেলেরা সাগরে নামছেন না। ফলে মাছ সংগ্রহ ও বেচাকেনাও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

দুবলা ফিসারমেন গ্রুপের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামালউদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে দুবলার চরাঞ্চলে প্রবল ঠান্ডা বাতাস বইছে। সাগরে বায়ুতাড়িত প্রবল ঢেউ থাকায় জাল ফেলা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে পারছেন না।

এ বিষয়ে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা জেলে পল্লী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় বলেন, ঠান্ডা বাতাস ও শীতের কারণে জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে যাচ্ছেন না। একইসঙ্গে সাগরে প্রবল ঢেউ ও বৈরী আবহাওয়ার ফলে সুন্দরবন বিভাগের স্বাভাবিক টহল কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow