শোকজ নোটিশের লিখিত জবাব মামুনুল হকের
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া শোকজ নোটিশের লিখিত জবাব দিয়েছেন ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে গিয়ে তিনি এ ব্যাখ্যা জমা দেন। ইসি সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে মামুনুল হক কমিশনে উপস্থিত হয়ে শোকজ নোটিশের জবাব দেন। তার ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে। এ বিষয়ে মামুনুল হক জানান, তাকে ঘিরে প্রকাশিত একটি সংবাদে অপসাংবাদিকতা হয়েছে। তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিফলেট বিতরণ করেছেন, তবে নিজের নির্বাচনী এলাকার জন্য কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালাননি। তিনি আরও জানান, কমিশনকে জানানো হয়েছে যে তার কার্যক্রমকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তিনি সংসদ নির্বাচনের কোনো প্রচারণায় অংশ নেননি। এখন কমিশন তার লিখিত জবাব পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মাওলানা মামুনুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় নির্বাচন কমিশন। নোটিশে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় স
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া শোকজ নোটিশের লিখিত জবাব দিয়েছেন ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে গিয়ে তিনি এ ব্যাখ্যা জমা দেন।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে মামুনুল হক কমিশনে উপস্থিত হয়ে শোকজ নোটিশের জবাব দেন। তার ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে।
এ বিষয়ে মামুনুল হক জানান, তাকে ঘিরে প্রকাশিত একটি সংবাদে অপসাংবাদিকতা হয়েছে। তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিফলেট বিতরণ করেছেন, তবে নিজের নির্বাচনী এলাকার জন্য কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালাননি।
তিনি আরও জানান, কমিশনকে জানানো হয়েছে যে তার কার্যক্রমকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তিনি সংসদ নির্বাচনের কোনো প্রচারণায় অংশ নেননি। এখন কমিশন তার লিখিত জবাব পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।
এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মাওলানা মামুনুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় নির্বাচন কমিশন।
নোটিশে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী হিসেবে গত ১৩ জানুয়ারি বিকেল ৫টার দিকে তিনি অনুসারীদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে সাধারণ মানুষের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করেন। এ বিষয়ে একটি অনলাইন সংবাদও প্রকাশিত হয়।
নির্বাচন কমিশনের মতে, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিন ১২ ফেব্রুয়ারির তিন সপ্তাহ আগেই এ ধরনের কার্যক্রম নির্বাচনী প্রচারণার আওতায় পড়ে, যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৩ ও ১৮-এর লঙ্ঘন।
এ কারণে কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—সে বিষয়ে ১৭ জানুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে নিজে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
What's Your Reaction?