শ্বশুরবাড়ির উঠানে পড়ে ছিল যুবকের মরদেহ

কুষ্টিয়ার মিরপুরে শ্বশুরবাড়ির উঠান থেকে রানা আহম্মেদ নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের জোয়াদ্দার পাড়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রানা আহম্মেদ (৩৫) চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার গ্রামের আব্দুল্লাহ মালিথার ছেলে। তিনি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের জোয়াদ্দার পাড়া গ্রামের আসান আলীর মেয়ের জামাই। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন। মিরপুর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল আজিজ কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার রাতে রানা আহম্মেদ নামের এক ব্যক্তির মরদেহ তার শ্বশুরবাড়ির উঠানে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। তিনি আরও বলেন, মরদেহের বাম চোখে রক্তের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

শ্বশুরবাড়ির উঠানে পড়ে ছিল যুবকের মরদেহ
কুষ্টিয়ার মিরপুরে শ্বশুরবাড়ির উঠান থেকে রানা আহম্মেদ নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের জোয়াদ্দার পাড়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রানা আহম্মেদ (৩৫) চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার গ্রামের আব্দুল্লাহ মালিথার ছেলে। তিনি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের জোয়াদ্দার পাড়া গ্রামের আসান আলীর মেয়ের জামাই। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন। মিরপুর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল আজিজ কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার রাতে রানা আহম্মেদ নামের এক ব্যক্তির মরদেহ তার শ্বশুরবাড়ির উঠানে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। তিনি আরও বলেন, মরদেহের বাম চোখে রক্তের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow