শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির দোয়া

শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তি পেতে এবং শ্বেতী-কুষ্ঠসহ যে কোনো দুরারোগ্য ও কঠিন রোগ-ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকতে বেশি বেশি পাঠ করুন এই দোয়াটি: اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَالْجُنُونِ وَالْجُذَامِ وَمِنْ سَيِّئِ الأَسْقَامِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বারাসি ওয়াল জুনুনি ওয়াল জুযামি ওয়া মিন সায়্যিইল আসকাম। অর্থ: হে আল্লাহ! আমি শ্বেত, পাগলামি, কুষ্ঠ এবং ঘৃণ্য রোগগুলো থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) এই দোয়াটি পড়তেন। (সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ) সুস্থতার জন্য দোয়া করা সুন্নত সুস্থতা আল্লাহর বড় নেয়ামত। সুস্থ না থাকলে কোনো ভাল বা কল্যাণকর কাজ করা মানুষের পক্ষে সম্ভব হয় না। রাসুল (সা.) সব সময় সুস্থতার জন্য দোয়া করতেন। সাহাবায়ে কেরামকেও তিনি সুস্থতার জন্য দোয়া করার নির্দেশ দিতেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, আল্লাহর কাছে ক্ষমা, নিরাপত্তা ও সুস্থতা প্রার্থনা করুন, ইমানের পর নিরাপত্তা ও সুস্থতাই সবচেয়ে উত্তম নেয়ামত। (সুনানে তিরমিযি, সুনানে নাসাঈ) ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত রয়েছে, এক বেদুইন রাসুলকে (সা.) জিজ্ঞাসা করেছি

শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির দোয়া

শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তি পেতে এবং শ্বেতী-কুষ্ঠসহ যে কোনো দুরারোগ্য ও কঠিন রোগ-ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকতে বেশি বেশি পাঠ করুন এই দোয়াটি:

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَالْجُنُونِ وَالْجُذَامِ وَمِنْ سَيِّئِ الأَسْقَامِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বারাসি ওয়াল জুনুনি ওয়াল জুযামি ওয়া মিন সায়্যিইল আসকাম।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি শ্বেত, পাগলামি, কুষ্ঠ এবং ঘৃণ্য রোগগুলো থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) এই দোয়াটি পড়তেন। (সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ)

সুস্থতার জন্য দোয়া করা সুন্নত

সুস্থতা আল্লাহর বড় নেয়ামত। সুস্থ না থাকলে কোনো ভাল বা কল্যাণকর কাজ করা মানুষের পক্ষে সম্ভব হয় না। রাসুল (সা.) সব সময় সুস্থতার জন্য দোয়া করতেন। সাহাবায়ে কেরামকেও তিনি সুস্থতার জন্য দোয়া করার নির্দেশ দিতেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, আল্লাহর কাছে ক্ষমা, নিরাপত্তা ও সুস্থতা প্রার্থনা করুন, ইমানের পর নিরাপত্তা ও সুস্থতাই সবচেয়ে উত্তম নেয়ামত। (সুনানে তিরমিযি, সুনানে নাসাঈ)

ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত রয়েছে, এক বেদুইন রাসুলকে (সা.) জিজ্ঞাসা করেছিলো, পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর কী দোয়া করবো? রাসুল (সা.) বললেন, আল্লাহর কাছে আফিয়ত বা সুস্থতা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করুন। বেদুইন একই প্রশ্ন তিনবার করলো, তিনি শেষবারও বললেন, আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখেরাতের নিরাপত্তা প্রার্থনা করুন। (সুনানে তিরমিজি) আরেকটি বর্ণনায় এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় দোয়া হলো আফিয়ত বা সুস্থতা ও নিরাপত্তার দোয়া। (সুনানে তিরমিজি)

সুস্থতার জন্য নবীজির (সা.) আরও দুুটি দোয়া

১. সুস্বাস্থ্য, সচ্চরিত্র, আমানতদারি প্রার্থনা করে নবীজি (সা.) দোয়া করতেন:

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الصِّحَّةَ وَالْعِفَّةَ وَالأَمَانَةَ وَحُسْنَ الْخُلُقِ وَالرِّضَا بِالْقَدَرِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাস-সিহহাতা ওয়াল ইফফাতা ওয়াল আমানাতা ওয়া হুসনাল খুলুকি ওয়ার রিযা বিল কাদার।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে সুস্বাস্থ্য, সচ্চরিত্র, আমানতদারি, উত্তম স্বভাব এবং তকদিরের উপর সন্তুষ্টি প্রার্থনা করছি। (আল আদাবুল মুফরাদ লিলবুখারি)

২. সকালে ও সন্ধ্যায় নবীজি (সা.) দোয়া করতেন:

بِسْمِ اللهِ الذِي لَايَضُرُّ مَعَ اِسْمِه شَيْئ في الأَرْضِ ولا في السَّمَاء وَهُوَ السمِيعُ العَلِيم

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল্লাযি লা য়াযুররু মাআ ইসমিহি শাইউন ফিল আরযি ওয়া লা ফিস সামাই ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।

অর্থ: ওই আল্লাহর নামে যার নামের সাথে আসমান জমিনের কোনো কিছু কোনো ধরণের ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ। (সুনানে তিরমিজি, সুনানে আবু দাউদ)

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow